প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ছোট ছেলে সঞ্জয় গান্ধীর দুর্নীতিতে ইন্দিরা গান্ধী তিনদিন কথা বলেননি

দেবদুলাল মুন্না: [২] এ তথ্য রয়েছে খুশবন্ত সিংয়ের বই ‘হোয়াই আই সাপোর্টেড দ্য ইমাজেন্সি’ তে। এছাড়া কোলকাতা টুয়েন্টিফোর এ নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের কন্ট্রিবিউটিং এডিটর কুমি কাপুর সঞ্জয়ের দুর্নীতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি রিপোর্ট করে সমালোচিত হন।

[৩] খুশবন্ত সিং জানান, সঞ্জয় গান্ধী পড়াশোনা তেমন করেননি। গাড়ির তৈরির জন্য রোলস রয়েস কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ করেন। এরপর ১৯৭০ সালে দেশে ফিরে গাড়ি প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। সেই সময় ব্যাংক কর্তা এবং লগ্নিকারীদের ভয় দেখিয়ে গাড়ি প্রকল্পের জন অর্থ আত্মসাত করেন ৷

[৪] কুমি কাপুরের এ নিয়ে রিপোর্টে বলা হয়, ৭০ সালে ইন্দিরা সরকার তথা প্ল্যানিং কমিশন সাধারণ মানুষের জন্য ছোট গাড়ি উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয়। এসময় সঞ্জয় গান্ধী প্রভাব খাটিয়ে এর দায়িত্ব নিয়ে নেন। ইন্দিরা গান্ধীর মন্ত্রিসভা সঞ্জয় গান্ধীকে বছরে ৫০ হাজার গাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়৷

[৫] সঞ্জয় গান্ধী মারুতি গাড়ি প্রকল্পের জন্য টাকা সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রীতিমতো চাঁদাবাজি করেন ৷ ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে তা সাংঘাতিক রূপ নেয়৷ শর্ত ছিল সঞ্জয় গান্ধীর মারুতি ১০০ শতাংশ ভারতীয় হবে৷ কিন্তু দিল্লি-হরিয়ানা সীমানার কারখানা থেকে যেসব গাড়ি তৈরি হলো, তা ১০০ শতাংশ জাপানি৷ ১৯৮০ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ছোট ছেলে তেত্রিশ বছরের সঞ্জয় যেদিন বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।

 

সর্বাধিক পঠিত