প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমৃত্যু রাউজানবাসীর পাশে থাকতে চান সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা

রাজু চৌধুরী : বৃহত্তর চট্টগ্রামের পৌরসভা নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আর এই নির্বাচনে রাউজান পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থীর দৌঁড়ে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা। বর্তমান রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত সাইফুল ইসলাম চৌধুরী’র রয়েছে দীর্ঘ ২ দশকের বেশি রাজনৈতিক ক্যারিয়ার।

এছাড়া তিনি রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী (বেবী)-র সুযোগ্য সন্তান। সাইফুল ইসলাম চৌধুরী তার রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে বলেন, ১৯৯৩ সালে এসএসসির পর থেকেই রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। তাঁদের নিজ ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান ‘সুবর্ণা প্রিন্টার্স’ আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হত। তাঁর বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন তাই ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একধরণের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জন্ম নেয়। ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সময়ের ছাত্র রাজনীতি ছিলো সৌহার্দ্যপূর্ণ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং আন্তরিকতাপূর্ণ।

বর্তমানে ক্ষমতা, লালসার রাজনীতি বিস্তার পেয়েছে।বঙ্গবন্ধুর পরে রাজনৈতিক আদর্শ হচ্ছেন তাঁর বাবা জানিয়ে বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের হাত থেকে ‘বঙ্গবন্ধু পুরষ্কার-১৯৭৪’ গ্রহণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমি মনে প্রাণে ধারণ এবং বিশ্বাস করি। পাশাপাশি আমার বাবার সততা এবং আদর্শিক গুণাবলি আমি অনুসরণ করি। বাবা সব সময় বলত ‘ভালো থাকতে হলে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত ভালো থাকতে হবে ।

খারাপ হওয়ার জন্য একটি ঘটনাই যথেষ্ট। বাবা বলত যদি রাজনীতি করতে চাও আগে সমাজ, পরিবার এবং বৃহত্তর পরিসরে নিজেকে পছন্দের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। মৃত্যুর আগে তাঁর পিতা উপদেশ দিয়ে গেছেন “যা বলবে ও করবে তা চরিত্রেও ধারণ করতে হবে তাহলেই মানুষ এটা আদর্শ হিসেবে নিবে”। পিতার নামে করা ‘শফিকুল ইসলাম ফাউন্ডশন’ এর পক্ষ থেকে অসহায় দরিদ্র রোগীদের যাতায়তের জন্য বিনামূল্যে বিশেষ বাহন ‘দোয়েল’ এর মাধ্যমে নিয়মিত পরিবহন সেবা প্রদান করা হয়। এছাড়া করোনাকালে নিম্নবিত্ত মানুষদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এছাড়া গরীব এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়। পৌরসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী এবং রাউজান পৌরসভাকে মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনার আকাঙ্ক্ষা জানিয়ে বলেন, সকল শ্রেণীর মানুষ আমাকে পছন্দ করেন। দিনশেষে আমরা সবাই আওয়ামী লীগের কর্মী। আমার পিতা যেভাবে দীর্ঘকাল সংগঠনকে সম্মানিত করেছেন আমিও জয়ী হয়ে পিতার দেখানো পথে হাটবো। আমৃত্যু রাউজানবাসীর পাশে থাকতে চাই। নেত্রীর শুদ্ধি অভিযানে প্রার্থী হিসেবে আমি অন্যতম সারথি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমিও একজন অংশীদার হতে চাই।

সর্বাধিক পঠিত