প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কাশ্মীরের ইসলামাবাদ অংশের চেয়ে ভারতীয় অংশে নাগরিক সুবিধা বহুগুন বেশি: ল এন্ড সোসাইটি এ্যালায়েন্স

তাপসী রাবেয়া: [২] দিল্লী ভিত্তিক নিরপেক্ষ সংস্থা ল এন্ড সোসাইটি এ্যালায়েন্সের এক পরিসংখ্যান বলেছে, ভারতের জম্মু-কাশ্মীর আর পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরের জনজীবনে রয়েছে বিস্তর ফারাক। আর্থ-সামাজিক সব দিক থেকেই পিছিয়ে পড়ছে পাকিস্তান সরকার পরিচালিত আজাদ কাশ্মীর। সম্প্রতি নিজেদের ওয়েবসাইটে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

[৩] জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা, স্থানীয় গণমাধ্যম, ভারত ও পাকিস্তান সরকারের বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের গবেষণার ভিত্তিতে এই প্রতিবেন তৈরী করা হয়েছে।

[৪] ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাকিস্তান সরকার আজাদ কাশ্মীরের জনগনের জন্য বাজেটে বরাদ্দ দিয়েছে ১২১৫৬ কোটি পাকিস্তানী রুপি অন্যদিকে ভারত বরাদ্দ করেছে ৮৮৯১১ কোটি ভারতীয় রুপি। যা আজাদ কাশ্মীরের বরাদ্দের তুলনায় ১৬ গুন বেশি।

[৫] স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের বরাদ্দেও দেখা গেছে বৈষম্য। যেখানে ভারত জম্মু-কাশ্মীরের জনগনের জন্য স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দিয়েছে ৬১৮ মিলিয়ন ডলার সেখানে পাকিস্তানে বরাদ্দ দিয়েছে মাত্র ৬২ মিলিয়ন ডলার।ভারতীয় অংশে হাসপাতাল রয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। আর পাকিস্তান অংশে মাত্র ৭৩ টি।

[৬] শিক্ষা খাতে বৈষম্যের কথা বলছে পরিসংখ্যান। জম্মু- কাশ্মীরে ১.৫৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট খরচ হয়েছে এই অর্থবছরে আর আজাদ কাশ্মীরে শুধুমাত্র ১৭৩ মিলিয়ন ডলার। জম্মু -কাশ্মীরে রয়েছে ১২ টি বিশ্ববিদ্যালয়, আর গিলগিটে ৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়।

[৭] সংস্থাটি বলছে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনেও নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে আজাদ কাশ্মীরের জনগন। জোর করে উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে নাগরিকদের।

[৮] তবে সংস্থার প্রতিবেদনে ভারতীয় অংশের সমালোচনায় বলছে, সংবিধান পরিবর্তনের পর জম্ম-কাশ্মীরের নাগরিকদের জন্য পর্যাপ্ত চাকরির সুযোগ এখনও তৈরী হয়নি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত