শিরোনাম
◈ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই দেশে আর নেই: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ, ১ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৩ ◈ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ঘরে বসেই এখন জমির গুরুত্বপূর্ণ নথি অনলাইনে খুঁজবেন যেভাবে ◈ চলমান এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ◈ নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ ২০ জুলাই শরিকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এখনো পাননি অনেক নেতা ◈ ফের জেন-জি বিদ্রোহে টালমাটাল নেপাল, বালেন্দ্র শাহের পদত্যাগ দাবি (ভিডিও) ◈ এবার বিএনপি নেতাকে লাথি দেওয়া এমপির ভিডিও ভাইরাল ◈ ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের প্রতিবাদে সড়কে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রকাশিত : ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:০৭ সকাল
আপডেট : ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বলাৎকারকে ধর্ষণ গণ্য করে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক: বলাৎকারের ঘটনা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করে ধর্ষণের মতোই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ নম্বর ধারা সংশোধন করে বলাৎকারের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান যুক্ত করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আলিয়া এবং কওমি মাদ্রাসাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মহিলা শিক্ষক নিয়োগ প্রদান ও মহিলা শিক্ষক দ্বারা শিশুদের পাঠদানের ব্যবস্থা গ্রহণে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক সচিব, শিক্ষা সচিব, ধর্ম সচিব, আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব এবং মোহাম্মদ কাওছার বৃহস্পতিবার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশ পাঠানোর পর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক কর্তৃক ক্রমবর্ধমান ছাত্র ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে দুই ধরনের মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতি চালু আছে। যেমন আলিয়া মাদ্রাসা এবং কওমি মাদ্রাসা। এসব মাদ্রাসাতে অনেক ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করছে। এই মাদ্রাসাগুলোতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবের কারণে কোমলমতি ছাত্ররা ধর্ষণসহ বিভিন্ন যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাদের কিছু শিক্ষক দ্বারা। এসব যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের ফলে অনেক শিক্ষার্থীর মৃত্যুও ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রচলিত আইনে পুরুষের সঙ্গে পুরুষের জোরপূর্বক যৌনসঙ্গমকে ধর্ষণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। ফলে এ ধরনের যৌনসঙ্গমের শাস্তি অনেক কম থাকায় মাদ্রাসার কিছু শিক্ষক এ সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়