শিরোনাম
◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির ◈ ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন: ভিত্তিহীন বলছে সংশ্লিষ্টরা ◈ ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাব না তো কি বায়তুল মোকাররমের ইমাম হব: এএসআইর বক্তব্যে তোলপাড় ◈ দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল-দোকান খোলা রাখা যাবে ◈ ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ ৬ দিন বন্ধ থাকছে একাধিক ব্যাংকের অনলাইন-এটিএম-কার্ডসহ নানা সেবা ◈ বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিং লাইভ সিসিটিভিতে দেখানোর দাবিতে আইনি নোটিশ ◈ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, আগের শনিবার খোলা থাকবে অফিস ◈ খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ◈ নির্মাণকাজে সংকুচিত হচ্ছে চুনতি অভয়ারণ্যের হাতির চলার পথ, বাড়ছে ট্রেন সংঘর্ষের ঝুঁকি

প্রকাশিত : ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:০৭ সকাল
আপডেট : ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ০৫:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বলাৎকারকে ধর্ষণ গণ্য করে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আইনি নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক: বলাৎকারের ঘটনা ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করে ধর্ষণের মতোই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ নম্বর ধারা সংশোধন করে বলাৎকারের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান যুক্ত করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আলিয়া এবং কওমি মাদ্রাসাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক মহিলা শিক্ষক নিয়োগ প্রদান ও মহিলা শিক্ষক দ্বারা শিশুদের পাঠদানের ব্যবস্থা গ্রহণে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক সচিব, শিক্ষা সচিব, ধর্ম সচিব, আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব এবং মোহাম্মদ কাওছার বৃহস্পতিবার এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

নোটিশ পাঠানোর পর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক কর্তৃক ক্রমবর্ধমান ছাত্র ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে দুই ধরনের মাদ্রাসা শিক্ষা পদ্ধতি চালু আছে। যেমন আলিয়া মাদ্রাসা এবং কওমি মাদ্রাসা। এসব মাদ্রাসাতে অনেক ছাত্র-ছাত্রী পড়াশোনা করছে। এই মাদ্রাসাগুলোতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবের কারণে কোমলমতি ছাত্ররা ধর্ষণসহ বিভিন্ন যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তাদের কিছু শিক্ষক দ্বারা। এসব যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের ফলে অনেক শিক্ষার্থীর মৃত্যুও ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসব ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রচলিত আইনে পুরুষের সঙ্গে পুরুষের জোরপূর্বক যৌনসঙ্গমকে ধর্ষণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। ফলে এ ধরনের যৌনসঙ্গমের শাস্তি অনেক কম থাকায় মাদ্রাসার কিছু শিক্ষক এ সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে।

  • সর্বশেষ