শিরোনাম
◈ মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাডে ক্রিটিক্যাল ত্রুটি, ৪৬ পিলারে ফাটল ◈ ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস: রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ◈ একবার তথ্য দিলেই সরকারি সেবায় বারবার জমা দিতে হবে না, ‘ওয়ান্স-অনলি’ নীতি চালুর উদ্যোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডে নতুন অনিশ্চয়তা, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে ভিসা নম্বর শেষ হওয়ার শঙ্কা ◈ এবার শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ◈ মাঠে সারের হাহাকার, ডিলারশিপে লাখ টাকার বাণিজ্য; কৃষকদের ‘খাদ্যযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি সংসদে ◈ সংসদে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে তর্ক-বিতর্ক, বিচার বিভাগ নিয়েও উদ্বেগ ◈ জাল কাগজে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার বের করে নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ ◈ আর্জেন্টিনার নতুন অ‌ধিনায়ক রো‌মে‌রো ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে বাংলাদেশের গোল উৎসব, হংকংয়ের জালে ৬ গোল 

প্রকাশিত : ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:২২ সকাল
আপডেট : ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ০৬:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘ঢলন’ না দেয়ায় কৃষিপণ্য কিনছে না ব্যবসায়িরা, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

এইচ এম শাহনেওয়াজ: [২] রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঢলন দিতে অস্বীকার করায় বিক্রেতাদের কৃষিপণ্য কিনছে না ব্যবসায়িরা। এ ঘটনায় প্রায় এক ঘন্টা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে খেজুর গুড় রেখে অবরোধ করেন বিক্রেতারা। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের লোকজন ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

[৩] বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে পৌরসভার ঝলমলিয়া হাটে এ ঘটনা ঘটে।

[৪] জানা গেছে, প্রতি হাটবারে ভোর থেকে ঝলমলিয়া হাটে কেনা বেচা শুরু হলেও আজ বৃহস্পতিবার ছিল তার ব্যতিক্রম। বিক্রেতারা প্রতিমণে দুই থেকে তিন কেজি ঢলন না দেয়ায় ব্যবসায়িরা মালামাল ক্রয় করেনি। এ ঘটনায় পুরো গুড় হাট জুড়ে বিক্রেতাদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ বিক্রেতারা সকাল ৯ টা থেকে প্রায় ১০ টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এদিকে ব্যবসায়িরা গুড় না কেনায় বিক্রেতারা তা ফেরৎ নিয়ে গেছেন।

[৫] খেজুরের গুড় বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, ইউএনও স্যার বৃহস্পতিবার (২৯ অষ্টোবর) সকালে হাটে এসে আমাদের বলেছেন ৪০ কেজিতে মণ হিসাবে বিক্রি করতে। আর ব্যবসায়িদের দাবি ৪২ কেজিতে মণ নেবেন। যার কারণে আজ সকাল থেকে কোনো ব্যবসায়ি আমাদের গুড় ক্রয় করেনি। এতে আমরা মহাসড়কে গুড়ের ডালি রেখে প্রতিবাদ জানিয়েছি। আর যেহেতু কোনো গুড় কেনা বেচা হয়নি তাই সকল বিক্রেতারা তাদের গুড় ফেরৎ নিয়ে গেছেন।

[৬] গুড় ব্যবসায়ি আনারুল ইসলাম বলেন, ৪০ কেজিতে মণ হিসাবে গুড় কিনে প্যাকেট করে তা মোকামে বিক্রি পর্যন্ত প্রতিমণে এক কেজি কমে যায়। যার কারণে আমরা বিক্রেতাদের নিকট থেকে এক কেজি ঢলন নেই। আজ বিক্রেতারা ঢলন দিতে না চাওয়ায় কোনো ব্যবসায়ি গুড় কিনছেন না।

[৭] এ বিষয়ে ঝলমলিয়া হাট ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি মুন্সি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঢলন প্রথা নিরসনে সম্প্রতি মাননীয় সাংসদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বানেশ্বর বাজারে কৃষক ব্যবসায়িদের সাথে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সকলের সম্মতিতে ডিজিটার পাল্লায় ৪০ কেজিতে মণ নির্ধারণ করা হয়।

[৮] আগের যে ঢলন প্রথা ছিল তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। আগে একজন চাষি এক মণ ফসল বিক্রি করতে এসে প্রকার ভেদে ২ থেকে ৮ কেজি পর্যন্ত ঢলন দিতে হতো। এটা কৃষকদের উপর জুলুম করা হতো। আমি আশা করবো সকল ব্যবসায়িরা ৪০ কেজিতে মণ হিসাবে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা মেনে কেনাবেচা করবেন।

[৯] থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, ঝলমলিয়া হাটে আগত খেজুরের গুড় বিক্রেতা ও ব্যবসায়িদের মধ্যে ঢলন নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে। এক পর্যায়ে গুড় বিক্রেতারা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে প্রতিবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

[১০] এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, ঝলমলিয়া হাটে ঢলন নিয়ে আজ যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তার সমাধান নিয়ে আমরা কাজ করছি। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

  • সর্বশেষ