শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মত প্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করতে গেলে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধটাও থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাশার নূরু: [২] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা যে সংবিধান দিয়ে গেছেন, সেই সংবিধানের ৪৫ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আমার অধিকার কিন্তু অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ, আবার অপরের অধিকার আমার দায়িত্ব। এটা কিন্তু সবাইকে মনে রাখতে হবে। সমালোচনা সবাই করুক, তাতে আপত্তি নাই, কারণ সমালোচনার মধ্য দিয়ে অনেক কিছু জানা যায়।

[৩] তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করে, তখন অনেকগুলো পত্রিকার কার্যালয় তারা পুড়িয়ে দিয়েছিল। স্বাধীনতার পর এমন একটা অবস্থা হয় এই সমস্ত সংবাদপত্র চালানো তাদের পক্ষে খুব কঠিন হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবই কিন্তু উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের সরকারি চাকরি দিয়েছিলেন, সরকারি বেতন সবাই পেত, সরকারি চাকরির মর্যাদা দিয়েছিলেন। সেটাকে অন্যভাবে দেখা হয়েছে। উনি সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছেন, সেটাকে কুক্ষিগত ঘটনা কিন্তু তা নয়। কারণ তখন কারো বেতন দেওয়ার মত বা সংবাদপত্র চালানোর মত কোনো ক্ষমতা ছিল না, আর্থিক সেই অবস্থাটা ছিল না। সেই দায়িত্বটা তিনিই নিয়েছিলেন।

[৪] শেখ হাসিনা বলেন, দুর্ভাগ্য হল, আমার নিজের দেখা, যারা সরকারি চাকরি পেয়েছিল, তারাই বেশি সমালোচনা করত। সে কারণে আমি ১৯৯৬ সালে যখন সরকারে আসি, তখন দুটি পত্রিকা সরকারি ছিল, আমি সেগুলো যখন বেসরকারি করে দিতে যাই, বা বন্ধ করে দিতে যাই, যে সরকারি কোনো পত্রিকা থাকবে না, তখন এক সময়কার সমালোচকরা, তারা যেহেতু সরকারি বেতন টেতন পেতেন, তারা আন্দোলনও করেন, অনশনও করেন যে কেন সেটা আমরা বন্ধ করব।

[৫] রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়