প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দখল-দূষণে অস্তিত্বহীন রাজধানীর খাল, সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

শিমুল মাহমুদ: [৩] ঢাকা ওয়াসার নথিতে রাজধানীর মান্ডা খালের প্রস্থ ৫০ ফুট। দখলের ফলে বর্তমানে প্রস্থ দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে ১২ ফুটে। এর একাংশ দখল করে রাস্তা, পারাপারের জন্য বানানো হয়েছে অসংখ্য কালভার্ট।

[৪] জিরানী খালের প্রস্থ ৮০ ফুট, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ২০ থেকে ২৫ ফুটে। খালের পাড়জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ দোকানপাট, কারখানা, গ্যারেজ, টিন ও পাকা দালান ঘর। একই অবস্থা রামচন্দ্রপুর, কাটাসুর, আদি বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকা ওয়াসার অধীনে থাকা ২৬ খালের।

[৫] রিভার এন্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের গবেষণা বলছে, রাজধানীতে ৭৪ টির অধিক খাল রয়েছে। পানির দায়িত্বে আছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওয়াসার বাইরে কিছু খালের দায়িত্বে রয়েছে স্থানীয় ডিসি অফিস। বাকি গুলোর দায়িত্বে কে তা প্রতিষ্ঠান গুলোই জানে না।

[৬] ডেল্টা রিসার্চের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ বলেন, রাজধানীর এমন কোনো খাল নেই যা দখলে নেই। সরকারের উচিৎ খালগুলোর তালিকা করে নদী গুলোর মতো ডিমারগেশন করা।

[৭] নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, খালের মাঝখানে কালভার্ট ও রাস্তা করার কাজ রাষ্ট্রই করেছে। এগুলো রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। এজন্য সমন্বিত নকশা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।

[৮] স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশন এ কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করায় দায়িত্ব দেয়া হয় ওয়াসাকে। খালগুলো ওয়াসা, পূর্ত মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আছে। সম্পাদনা : ইসমাঈল ইমু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত