প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাঠদানের বাইরে প্লে থেকে কেজি শ্রেণির প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী

শরীফ শাওন: [২] ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল বনশ্রি শাখার প্রধান শিক্ষক শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রথম শ্রেণির আগের ক্লাসগুলোর বিসয়ে সরকারের কোন সুনির্দিস্ট গাইডলাইন নেই। ফলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, জটিলতাও তৈরি হয়।

[৩] বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এসকল শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বা অনলাইন ক্লাসে পাঠদান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা এবং আমাদের গৃহিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবছর এসকল শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে বয়সসীমায় শিথিলতা থাকবে।

[৪] রাজধানীর এজি চার্চ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিখা বর্মন বলেন, অনেকেই মহামারির কারণে শিশুদের এসকল শ্রেণিতে ভর্তি করাতে পারেনি। আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বয়সসীমার বিষয়ে অভিভাবকদের আশ্বস্ত করছি।

[৫] অভিভাবকরা জানান, নামি দামি স্কুলগুলোতে ভর্তি করাতে বয়সসীমা অধিকতরভাবে কার্যকর থাকায় এবছর ভর্তি করানো যাবে কিনা সে নিয়ে শঙ্কিত আছি। অভিভাবক লাইজুল ইসলাম বলেন, করোনায় ব্যবসা মন্দ থাকায় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মেয়েকে প্লে শ্রেণিতে ভর্তি করাতে পারিনি। ভর্তির বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ায় কাঙ্খিত স্কুলে ভর্তি নিয়ে শঙ্কায় আছি।

[৬] সাধারনত, প্লে শ্রেণিতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ বছর, নার্সারিতে সাড়ে ৩ থেকে ৪ বছর, কেজি পর্যায়ে সাড়ে ৪ থেকে ৫ বছরের শিশুদের ভর্তি করানো হয়। নামি দামি স্কুলগুলো বয়সের বিষয়ে কঠোর নীতি পালন করে থাকে। এসকল শ্রেণিতে শিশুদের আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেখানে শিশুরা শিক্ষক ও সহপাঠিদের সঙ্গে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মানষিকভাবে বিকষিত হয়ে থাকে। বাংলা মাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে নভেম্বর থেকে এবং ইংরেজি মাধ্যমে জুন থেকে ভর্তি করানো হলেও এবছর করোনার প্রভাবে ভর্তি হতে পারেনি অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়াও ভর্তি হওয়া শিশুরা ছিল ক্লাসের বাইরে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত