শিরোনাম
◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, সরগরম এফডিসি ◈ সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে বছরে নতুন ক্যান্সার রোগী প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার, ৪৮৫টি এক্স-রে ও ৩৯৫টি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো ◈ ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত 'জরুরি প্রয়োজনে' কংগ্রেসের কাছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  ◈ রাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ ‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’ : অর্থমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানের চীন সফরে বড় অগ্রগতি, সই হলো ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক ◈ ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ, ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর ◈ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু, ১৫ সমঝোতা স্মারকে সই করবে বাংলাদেশ ◈ চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ভ্যালুচেইন সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ৪ কোটি লিটার তেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন ডাল কিনবে সরকার

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অজয় দাশগুপ্ত: জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ?

অজয় দাশগুপ্ত: তিনটি ছবি দিলাম। সাদাকালো ছবি দুটোর জীবন্ত স্বাক্ষী আমি। কলকাতায় মাতুলালয় ও জেঠা পীসি দিদির বাড়ী পৌঁছানোর আগে ত্রিপুরায় ছাদহীন ঘরে রাত কাটিয়েছি আমরা।

দুই দিদি আমিও মাকে পাহারা দিয়ে ঘুমহীন থাকতেন পিতা। কলকাতার তখনকার লবনহৃদ, এখনকার সল্টলেক ছিলো ময়লা ফেলার ভাগাড়। সে ভাগাড়েই বেঁচেছিলেন হাজার হাজার বাঙালি। ইন্দিরা গান্ধী থেকে সিনেটর কেনেডি সবাই গেছেন সেখানে। এতো কষ্টে থাকা বাংলাদেশি শরণার্থীদের একজনও চোর ছিলেন না।

ডাকাতি করেনি কেউ। রিলিফের চাল আর আলু খেয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, না খেয়ে দেশের মুক্তির জন্য দোয়া চাইতো। তারা মাদক নিতে পারে এমন কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। মাদক কি তাও জানতো না। বড়জোর দু একটা পাতার বিড়ি। তারপরও আমরা স্বাধীন হয়েছি। নিজেদের দেশে ফিরেছি। রঙিন ছবিটি দেখুন। এমন বাড়িঘর বাংলাদেশে কজন বাঙালির আছে?

নোয়াখালীর ধর্ষিতা মেয়েটির বাড়ী যতোবার টিভি ক্যামেরায় দেখেছি ততোবার লজ্জায় মাথা নত হয়েছে। এটি কোনো বাড়ি না ঘর? এমন ঘরবাড়ি নামের মানবেতর এক চালায় থাকে আমাদের মানুষেরা। আর ছবির বাড়িগুলো? হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নেটের লাইন লাগিয়ে তৈরি করা লাল বাড়িঘর গুলো বানানো হয়েছে মহামান্য রোহিঙ্গা ভাই বোনদের জন্য, ভাসান চরে। কিন্তু তাহারা যাইতে নারাজ। মনের আনন্দে বাঙালি পিটাইয়া গাঁজা, ইয়াবা বেচিয়া ধর্ষণ করিয়া তাহারা যে সুখশান্তিতে আছে তাহা ফেলিয়া কেন যাইবে? জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়