শিরোনাম
◈ নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পেশ: ২০টি গ্রেডে কার বেতন কত বাড়ছে? ◈ সেনাপ্রধানের নির্বাচন নিয়ে নতুন বার্তা ◈ ভারতে বাংলাদেশ না খেললে বিকল্প দল নেবে আইসিসি, বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত ◈ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের পর এবার নগদ ১ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ◈ ১ লাখ সেনাসদস্য, উন্নত ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ নিশ্চিতে উদ্যোগ, ভোট গণনায় বিলম্বের আশঙ্কা ◈ ১৮৩ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরল মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সর্বশেষ শিক্ষার্থী আবিদ ◈ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা: এবারের  নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য আদর্শ তৈরি করবে ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিষিদ্ধের আবেদন খারিজ, ‘এটা কী ধরনের আবেদন’ প্রশ্ন দিল্লি হাইকোর্টের ◈ বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী: রাজনৈতিক অবস্থান কী, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা কতটা? ◈ বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইনি পথেও যেতে পারে বিসিবি

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অজয় দাশগুপ্ত: জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ?

অজয় দাশগুপ্ত: তিনটি ছবি দিলাম। সাদাকালো ছবি দুটোর জীবন্ত স্বাক্ষী আমি। কলকাতায় মাতুলালয় ও জেঠা পীসি দিদির বাড়ী পৌঁছানোর আগে ত্রিপুরায় ছাদহীন ঘরে রাত কাটিয়েছি আমরা।

দুই দিদি আমিও মাকে পাহারা দিয়ে ঘুমহীন থাকতেন পিতা। কলকাতার তখনকার লবনহৃদ, এখনকার সল্টলেক ছিলো ময়লা ফেলার ভাগাড়। সে ভাগাড়েই বেঁচেছিলেন হাজার হাজার বাঙালি। ইন্দিরা গান্ধী থেকে সিনেটর কেনেডি সবাই গেছেন সেখানে। এতো কষ্টে থাকা বাংলাদেশি শরণার্থীদের একজনও চোর ছিলেন না।

ডাকাতি করেনি কেউ। রিলিফের চাল আর আলু খেয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, না খেয়ে দেশের মুক্তির জন্য দোয়া চাইতো। তারা মাদক নিতে পারে এমন কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। মাদক কি তাও জানতো না। বড়জোর দু একটা পাতার বিড়ি। তারপরও আমরা স্বাধীন হয়েছি। নিজেদের দেশে ফিরেছি। রঙিন ছবিটি দেখুন। এমন বাড়িঘর বাংলাদেশে কজন বাঙালির আছে?

নোয়াখালীর ধর্ষিতা মেয়েটির বাড়ী যতোবার টিভি ক্যামেরায় দেখেছি ততোবার লজ্জায় মাথা নত হয়েছে। এটি কোনো বাড়ি না ঘর? এমন ঘরবাড়ি নামের মানবেতর এক চালায় থাকে আমাদের মানুষেরা। আর ছবির বাড়িগুলো? হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নেটের লাইন লাগিয়ে তৈরি করা লাল বাড়িঘর গুলো বানানো হয়েছে মহামান্য রোহিঙ্গা ভাই বোনদের জন্য, ভাসান চরে। কিন্তু তাহারা যাইতে নারাজ। মনের আনন্দে বাঙালি পিটাইয়া গাঁজা, ইয়াবা বেচিয়া ধর্ষণ করিয়া তাহারা যে সুখশান্তিতে আছে তাহা ফেলিয়া কেন যাইবে? জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়