শিরোনাম
◈ প্রচুর টাকা ঢেলেও প‌য়েন্ট টে‌বি‌লের তলানীতে লিভারপুল  ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় প্রতিরক্ষা সংকটে ইসরায়েল ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির ডলারের বাজার, দুর্বল হচ্ছে টাকা ◈ মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ, ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি নয় ট্রাম্প ◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামীলীগ ◈ উন্নত চিকিৎসায় মির্জা আব্বাসকে কাল  সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে, মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অজয় দাশগুপ্ত: জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ?

অজয় দাশগুপ্ত: তিনটি ছবি দিলাম। সাদাকালো ছবি দুটোর জীবন্ত স্বাক্ষী আমি। কলকাতায় মাতুলালয় ও জেঠা পীসি দিদির বাড়ী পৌঁছানোর আগে ত্রিপুরায় ছাদহীন ঘরে রাত কাটিয়েছি আমরা।

দুই দিদি আমিও মাকে পাহারা দিয়ে ঘুমহীন থাকতেন পিতা। কলকাতার তখনকার লবনহৃদ, এখনকার সল্টলেক ছিলো ময়লা ফেলার ভাগাড়। সে ভাগাড়েই বেঁচেছিলেন হাজার হাজার বাঙালি। ইন্দিরা গান্ধী থেকে সিনেটর কেনেডি সবাই গেছেন সেখানে। এতো কষ্টে থাকা বাংলাদেশি শরণার্থীদের একজনও চোর ছিলেন না।

ডাকাতি করেনি কেউ। রিলিফের চাল আর আলু খেয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, না খেয়ে দেশের মুক্তির জন্য দোয়া চাইতো। তারা মাদক নিতে পারে এমন কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। মাদক কি তাও জানতো না। বড়জোর দু একটা পাতার বিড়ি। তারপরও আমরা স্বাধীন হয়েছি। নিজেদের দেশে ফিরেছি। রঙিন ছবিটি দেখুন। এমন বাড়িঘর বাংলাদেশে কজন বাঙালির আছে?

নোয়াখালীর ধর্ষিতা মেয়েটির বাড়ী যতোবার টিভি ক্যামেরায় দেখেছি ততোবার লজ্জায় মাথা নত হয়েছে। এটি কোনো বাড়ি না ঘর? এমন ঘরবাড়ি নামের মানবেতর এক চালায় থাকে আমাদের মানুষেরা। আর ছবির বাড়িগুলো? হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নেটের লাইন লাগিয়ে তৈরি করা লাল বাড়িঘর গুলো বানানো হয়েছে মহামান্য রোহিঙ্গা ভাই বোনদের জন্য, ভাসান চরে। কিন্তু তাহারা যাইতে নারাজ। মনের আনন্দে বাঙালি পিটাইয়া গাঁজা, ইয়াবা বেচিয়া ধর্ষণ করিয়া তাহারা যে সুখশান্তিতে আছে তাহা ফেলিয়া কেন যাইবে? জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়