শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০২০, ০৮:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অজয় দাশগুপ্ত: জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ?

অজয় দাশগুপ্ত: তিনটি ছবি দিলাম। সাদাকালো ছবি দুটোর জীবন্ত স্বাক্ষী আমি। কলকাতায় মাতুলালয় ও জেঠা পীসি দিদির বাড়ী পৌঁছানোর আগে ত্রিপুরায় ছাদহীন ঘরে রাত কাটিয়েছি আমরা।

দুই দিদি আমিও মাকে পাহারা দিয়ে ঘুমহীন থাকতেন পিতা। কলকাতার তখনকার লবনহৃদ, এখনকার সল্টলেক ছিলো ময়লা ফেলার ভাগাড়। সে ভাগাড়েই বেঁচেছিলেন হাজার হাজার বাঙালি। ইন্দিরা গান্ধী থেকে সিনেটর কেনেডি সবাই গেছেন সেখানে। এতো কষ্টে থাকা বাংলাদেশি শরণার্থীদের একজনও চোর ছিলেন না।

ডাকাতি করেনি কেউ। রিলিফের চাল আর আলু খেয়ে তারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, না খেয়ে দেশের মুক্তির জন্য দোয়া চাইতো। তারা মাদক নিতে পারে এমন কথা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। মাদক কি তাও জানতো না। বড়জোর দু একটা পাতার বিড়ি। তারপরও আমরা স্বাধীন হয়েছি। নিজেদের দেশে ফিরেছি। রঙিন ছবিটি দেখুন। এমন বাড়িঘর বাংলাদেশে কজন বাঙালির আছে?

নোয়াখালীর ধর্ষিতা মেয়েটির বাড়ী যতোবার টিভি ক্যামেরায় দেখেছি ততোবার লজ্জায় মাথা নত হয়েছে। এটি কোনো বাড়ি না ঘর? এমন ঘরবাড়ি নামের মানবেতর এক চালায় থাকে আমাদের মানুষেরা। আর ছবির বাড়িগুলো? হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা নেটের লাইন লাগিয়ে তৈরি করা লাল বাড়িঘর গুলো বানানো হয়েছে মহামান্য রোহিঙ্গা ভাই বোনদের জন্য, ভাসান চরে। কিন্তু তাহারা যাইতে নারাজ। মনের আনন্দে বাঙালি পিটাইয়া গাঁজা, ইয়াবা বেচিয়া ধর্ষণ করিয়া তাহারা যে সুখশান্তিতে আছে তাহা ফেলিয়া কেন যাইবে? জামাই আদরের এমন শরণার্থী কখনো দেখেছে কেউ? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ