প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ড্রেনে খাবার খুঁজছে ইয়াঙ্গুনের বস্তির বাসিন্দারা, খাচ্ছে ইঁদুর ও সাপ

সিরাজুল ইসলাম: [২] মার্চে প্রথম দফা লকডাউনে ম সুর (৩৬) সালাদের দোকান বন্ধ হয়ে যায়। খাবার কিনতে তিনি সামান্য স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রাখেন। সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় লকডাউনে ফের দোকান বন্ধ হয়ে যায়। এবার খাবার কিনতে তিনি কাপড়চোপড় ও বাসনপত্র বিক্রি করে দেন। এখন আর বিক্রি করার মতো কিছু নেই। তার নির্মাণ শ্রমিক স্বামীরও কাজ নেই। তিনি পাশের রাস্তার ড্রেনে খাবার খুঁজছেন।

[৩] এই নারী বলেন, বস্তির লোকজন সাপ ও ইঁদুর খাচ্ছে। তাদের আয় নেই। সন্তানদের মুখে বাধ্য হয়েই সাপ ও ইঁদুর তুলে দিচ্ছেন। তারা বাস করেন হ্লাং থার ইয়ার বস্তিতে। এটি সব চেয়ে গরীব বস্তি বলে পরিচিত। এর পেছনে আলো জ্বলমল করে; কিন্তু বস্তির বাসিন্দারা ক্ষুধা নিবারণে কোনও নিশাচর প্রাণী খুঁজে বেড়ায়।

[৪] গ্রামাঞ্চলে অনেক পরিবার ইঁদুর, সরীসৃপ ও পোকা খেয়ে পুষ্টির চাহিদা মেটায়। শহরের লোকজন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিয়েছে।

[৫] স্থানীয় প্রশাসক নে মিন তুন বলেন, হ্লাং থার ইয়ারের ৪০ শতাংশ মানুষ সহায়তা পেয়েছে। অনেক কাজের ক্ষেত্র বন্ধ হয়ে গেছে। লোকজন উন্মাদ হয়ে গেছে।

[৬] স্থানীয় এমপি ম্যায়াত মিন থু বলেন, সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেখানে ত্রাণ বিতরণ করেছে। এগুলো সবাই পায়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।

[৭] মিয়ানমারে সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল। দুই হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে ওনাউ মিয়ানমার বলছে, ৭০ শতাংশ লোক করোনার কারণে কাজ হারিয়েছে। খাবার, ওষুধ ও অন্য প্রয়োজন মেটাতে তারা ধারদেনা করেছে। সূত্র: রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত