প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খান আসাদ: যৌনসহিংসতা রোধে যে পরিশীলিত মনোজগত দরকার, ধর্মশিক্ষা কি তা করতে অক্ষম?

খান আসাদ: যে মাদ্রাসায় নারী ও ছেলেশিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা হচ্ছে, এর সাথে কি ধর্মশিক্ষার কোনো সম্পর্ক আছে? প্রচলিত ধর্মশিক্ষা কি নারী ও শিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা উৎসাহিত করছে? (যেমন এই ধর্মবোধ যে, তওবা করলে বা হজ্ব করে এলে সব পাপ ধুয়ে যাবে) যৌনসহিংসতার সঙ্গে ধর্মশিক্ষা কি সম্পর্কহীন? যৌনসহিংসতা রোধ করার জন্য যে পরিশীলিত মনোজগত তৈরি করা দরকার, ধর্মশিক্ষা কি তা করতে অক্ষম? শিক্ষার বিষয়বস্ত ও এর মৌলবাদী চরিত্র, নারীর প্রতি বিদ্ধেষ, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ এবং শিক্ষা প্রশাসনের দুর্নীতি, অযোগ্যতা, ইত্যাদি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। মাদ্রাসাশিক্ষা গোটা শিক্ষাব্যবস্থার অংশ। এই শিক্ষাব্যাবস্থার চরিত্র নির্ধারিত হয়েছে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ননীতি, যা সাম্রাজ্যবাদী নয়াউদারবাদি নীতি দিয়ে ও পরিচালিত হচ্ছে রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে। প্রথমে আমরা পাই কুদরত-ই খুদা শিক্ষানীতি ১৯৭২ সালে।

তারপর ১৯৭৭ সালে কাজী জাফর আহমেদ কমিশন, ১৯৮৩ সালে মজিদ খান কমিশন, ১৯৮৮ সালে মফিজউদ্দিন, ১৯৯৭ সালে সামসুল হক, ২০০৩ সালে মনিরুজ্জামান মিয়া এবং এরপর ২০১০, ২০১৮ তে শিক্ষাকমিশন অনেক নীতি প্রণয়ন করেছে। শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থাকে করুন এক অবস্থায় উপনীত করেছে। আপনার কি মনে হয় না যে গোটা শিক্ষাব্যবস্থার, শিক্ষা কারিকুলাম সহ শিক্ষা প্রশাসনের একটি আমূল পরিবর্তন দরকার? আপনার কি মনে হয়, মহামারির মতো নারী ও শিশুর প্রতি যৌনসহিংসতা শুধু আইন দিয়ে বন্ধ করা যাবে? শুধু মাদ্রাসায় নয়, সাধারণভাবে সমাজের সর্বত্র নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করতে হলে, শিক্ষাব্যবস্থা বিজ্ঞানভিত্তিক ও যুগোপযোগী মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে সংস্কার করতেই হবে। আপনার কি মনে হয় না, শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের করে বিজ্ঞানসম্মত মানবসম্পদ বিকাশের শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার হওয়া ও প্রগতিশীল শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে রাস্তায় নামা এখন এই সময়ের আশু করনীয়? ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত