প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আব্দুল হাই সঞ্জু: এসআই আকবর পুলিশের দুর্বল বিধির সুযোগ নিয়েই পালিয়েছেন?

আব্দুল হাই সঞ্জু: ‘তদন্ত কমিটির সূত্রমতে, ১২ অক্টোবর বিকাল ৩টায় আকবরসহ ৪ জনকে বরখাস্ত করা হয়। বিকাল ৩টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত সে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে ছিলো। তার অস্ত্র সমঝে নেয় এসআই হাসান। সেখান থেকেই আকবর পালিয়ে যায়; কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি তিনি জানাননি।’ পুলিশের রুলবুকেই তো দুর্বলতা থাকতে পারে।

[১] বরখাস্ত হওয়ার পর এসআই আকবর কি ফাঁড়িতেই বসে থাকবেন, নাকি নিজের বাসায় চলে যাবেন? পুলিশের বিধিতে কি লেখা আছে আমি জানি না। কিন্তু এটা তো কমনসেন্স যে তিনি আর ফাঁড়িতে অবস্থান করবেন না।

[২] এখন এসআই হাসান যদি বলেন, অস্ত্র আমার কাছে জমা দিয়ে আকবর বাসায় চলে যান, তখন কি হবে? এই কথা বলে তো এসআই হাসানও দায়িত্ব এড়াতে পারেন। হাসানকে তো আকবরকে আটক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়নি, হয়েছিল কি? আর জুনিয়র দিয়ে একই ফাঁড়ির সিনিয়রকে আটক করার নির্দেশনা কি পুলিশ দেয়?

[৩] আকবরকে বরখাস্ত করার কারণ পুলিশের ডকুমেন্টে কি লেখা হয়েছে, সেটিও আমরা জানি না। কারণ যদি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ হয়, তাহলে তো সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উচিত ছিলো আকবরকে একই সময়ে বরখাস্ত এবং আটক করা। দেওয়ানী অভিযোগ হলে না হয় কিছুটা শিথিলতা দেখানো যেতে পারে। সুতরাং এসআই আকবর পুলিশের দুর্বল বিধির সুযোগ নিয়েই পালিয়েছেন কিনা সেটি অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। ক্রিমিনাল তো ক্রাইম করে নিজেকে আটক/গ্রেপ্তার করার সুযোগ দেওয়ার জন্য নিজের বাসায়/অফিসে বসে থাকবে না, থাকবে কি? বিকেল ৩টায় বরখাস্ত হয়ে ৩টা ৫৬মিনিট পর্যন্ত এসআই আকবর বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতেই ছিলেন। তাকে আটক করা হল না কেন?

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত