শিরোনাম
◈ চীনের রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও লাল গালিচা অভ্যর্থনা ◈ মুদি দোকান ও বিউটি পারলারসহ ১৬ খাত আসছে ভ্যাটের আওতায় ◈ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের দ্বারপ্রান্তে প্রবাসী আয়, জুনেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ◈ শ্রমশক্তি, জ্বালানি ও প্রযুক্তি সহযোগিতায় গুরুত্ব দিল বাংলাদেশ-কাজাখস্তান ◈ ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, মিরপুরে সর্বোচ্চ মামলা ◈ তিন দিনেই উঠে গেল নতুন ২ কোটি টাকার রাস্তার পিচ, ক্ষোভে কাজ বন্ধ করল এলাকাবাসী ◈ তালিয়ান থেকে ট্রেনে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শুরু হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সফরের মূল পর্ব ◈ রাতভর নাটকীয়তার পর যেভাবে গ্রেফতার হলেন নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান শুভ্র, তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ ◈ তৃতীয় টার্মিনালে বিদেশি আগ্রহ, আর্থিক ক্ষতিতে পড়বে বিমান ◈ ডোনাল্ড ট্রা‌ম্পের যুদ্ধ উন্মাদনা বন্ধে মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব পাস: প্রেসি‌ডে‌ন্টের প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:২৮ রাত
আপডেট : ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পরিকল্পনা করেই কাশ্মীর দখল করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হামলার কথা জানতেন, ইসকান্দার মির্জা, মোহাম্মদ আলী বগুড়াসহ অনেকেই, নিজের লেখা বইতে সাবেক পাকিস্তানি জেনারেল

[৩] ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর, বর্তমান জম্মু-কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলা দখল করে নেয় পাকিস্তানি সেনারা। জম্মু-কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে পাকিস্তানি সেনারা যখন ৩৫ মাইল দূরে অবস্থান করছিলেন তখনই দিল্লির সাহায্য চায় কাশ্মীরের মহারাজা। ১৪ হাজার সেনা দিয়ে কাশ্মীরে তখন আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। আর সেই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত মাত্র তিন হাজার পাকিস্তানি সেনা জীবিত ছিলেন। গুগল রিডস

[৪] এমন সব কথাই নিজের লেখা ‘রেইডার্স ইন কাশ্মীর’ বইতে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আকবর খান। ঐ বইতে কাশ্মীর সংঘাতের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেন ওই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। হিন্দুস্তান টাইমস

[৫] সাবেক সেনা কর্মকর্তা জানান, কাশ্মীরে আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা হয় লাহোর এবং রাওয়ালপিন্ডি থেকেই । তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মিয়াঁ ইফতিখারউদ্দিন তাকে কাশ্মীর দখলের পরিকল্পনা করতে বলেন।

[৬] এ নিয়ে আকবর খান বলেন, ‘তখন আমি আর্মড রিভোল্ট ইনসাইড কাশ্মীর শিরোনামে একটি পরিকল্পনা দিলাম। ঐ পরিকল্পনায় কাশ্মীরের জনগণকে শক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয় এবং ভারত থেকে কাশ্মীরে যাতে সেনা এবং অস্ত্র না প্রবেশ করতে পারে সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।’

[৭] ‘ওই পরিকল্পনার খসড়া তখনকার শীর্ষ নেতাদের কাছে পাঠানো হয় । পরে লাহোরে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান আমাকে বৈঠকে জন্য ডেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছানোর পর আমি পাঞ্জাব প্রদেশে মন্ত্রী সরদার শওকত হায়াত খানের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের বৈঠক করি। আমার পরিকল্পনার কপি আমি সেখানে কয়েকজনের হাতে দেখতে পাই।’

[৮] ‘কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের হস্তক্ষেপ এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে লাহোরে আনঅফিসিয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ঐ বৈঠকে আমিসহ তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব ইস্কান্দার মির্জা, চৌধুরী মুহম্মদ আলী বগুড়া, তৎকালীন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আব্দুল কাইয়ুম খান, তৎকালীন পাঞ্জাব প্রদেশের নওয়াব মামদোত এবং ব্রিগেডিয়ার স্লিয়ের খান উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়