শিরোনাম
◈ বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ট্যুরিস্ট ভিসার আড়ালে বাংলাদেশে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ছেন চীনা নাগরিকরা ◈ দ্বিতীয় টে‌স্টে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে জিত‌তে না পার‌লে আত্মসম্মানের ব্যাপার ছিল: প‌্যাট কা‌মিন্স ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ ◈ ‘আমার ৯ বিয়ের তথ্য মিথ্যা, কোনো পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত নই’: ইসলামী আন্দোলন নেতা মিছবাহর চ্যালেঞ্জ ◈ বঙ্গভবনে প্রথম দিনের দাপ্তরিক কাজ শুরু নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির ◈ প্রাথমিক শিক্ষায় মনিটরিং-জবাবদিহিতায় আসছে নতুন নীতিমালা ◈ রাজধানীতে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ আইসি‌সি র‌্যা‌ঙ্কিং‌, টেস্ট ক্রিকে‌টে বাংলাদেশ এখন ৬ নম্বর দল ◈ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, সততা ও মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:২৮ রাত
আপডেট : ১৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:২৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পরিকল্পনা করেই কাশ্মীর দখল করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হামলার কথা জানতেন, ইসকান্দার মির্জা, মোহাম্মদ আলী বগুড়াসহ অনেকেই, নিজের লেখা বইতে সাবেক পাকিস্তানি জেনারেল

[৩] ১৯৪৭ সালের ২৬ অক্টোবর, বর্তমান জম্মু-কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলা দখল করে নেয় পাকিস্তানি সেনারা। জম্মু-কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে পাকিস্তানি সেনারা যখন ৩৫ মাইল দূরে অবস্থান করছিলেন তখনই দিল্লির সাহায্য চায় কাশ্মীরের মহারাজা। ১৪ হাজার সেনা দিয়ে কাশ্মীরে তখন আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। আর সেই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত মাত্র তিন হাজার পাকিস্তানি সেনা জীবিত ছিলেন। গুগল রিডস

[৪] এমন সব কথাই নিজের লেখা ‘রেইডার্স ইন কাশ্মীর’ বইতে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আকবর খান। ঐ বইতে কাশ্মীর সংঘাতের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেন ওই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। হিন্দুস্তান টাইমস

[৫] সাবেক সেনা কর্মকর্তা জানান, কাশ্মীরে আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা হয় লাহোর এবং রাওয়ালপিন্ডি থেকেই । তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মিয়াঁ ইফতিখারউদ্দিন তাকে কাশ্মীর দখলের পরিকল্পনা করতে বলেন।

[৬] এ নিয়ে আকবর খান বলেন, ‘তখন আমি আর্মড রিভোল্ট ইনসাইড কাশ্মীর শিরোনামে একটি পরিকল্পনা দিলাম। ঐ পরিকল্পনায় কাশ্মীরের জনগণকে শক্তি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয় এবং ভারত থেকে কাশ্মীরে যাতে সেনা এবং অস্ত্র না প্রবেশ করতে পারে সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।’

[৭] ‘ওই পরিকল্পনার খসড়া তখনকার শীর্ষ নেতাদের কাছে পাঠানো হয় । পরে লাহোরে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান আমাকে বৈঠকে জন্য ডেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছানোর পর আমি পাঞ্জাব প্রদেশে মন্ত্রী সরদার শওকত হায়াত খানের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের বৈঠক করি। আমার পরিকল্পনার কপি আমি সেখানে কয়েকজনের হাতে দেখতে পাই।’

[৮] ‘কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের হস্তক্ষেপ এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে লাহোরে আনঅফিসিয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ঐ বৈঠকে আমিসহ তৎকালীন প্রতিরক্ষা সচিব ইস্কান্দার মির্জা, চৌধুরী মুহম্মদ আলী বগুড়া, তৎকালীন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আব্দুল কাইয়ুম খান, তৎকালীন পাঞ্জাব প্রদেশের নওয়াব মামদোত এবং ব্রিগেডিয়ার স্লিয়ের খান উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়