প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ষোলআনি-দৌলতপুর সেতুতে ডাকাতি, দাঁড়িয়ে দেখল জনতা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে একাধিক স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নে। এ সময় অস্ত্রের মুখে মানুষকে জিম্মি করে প্রায় তিন লাখ টাকা, ২৫টি মোবাইল সেট ও অর্ধ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয় ডাকাত দল। এর মধ্যে ষোলআনি-দৌলতপুর সেতুতে ডাকাতি চলাকালে এর দুপাশে অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও ভয়ে অস্ত্রধারী ডাকাতদের সামনে যেতে পারেননি কেউ।বিষয়টি জানিয়ে সঙ্গে সঙ্গে গজারিয়া থানা পুলিশকে একাধিকবার ফোন দিলে ঘটনাস্থলে আসেনি পুলিশের কোনো ফোর্স।

[৩] বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মামুন আল রশিদ জানান, রাতে এ বিষয়ে তারা একটি ফোন পেয়েছিলেন। ঘটনাস্থল বেশ দূরে হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে পুলিশ পৌঁছতে পারেনি। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।

[৪] প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি স্পিডবোটে করে ৭-৮ জন মুখোশ পরিহিত ডাকাত ষোলআনি-দৌলতপুর সেতুতে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা তিনটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ডাকাতি ও ভাঙচুর চালায়। অটোতে থাকা বেসরকারি একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেনের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল, আলু ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল সেট, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা এবং দুটি মোবাইল সেট, তিন অটোচালকের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল সেট ও ৪ হাজার টাকা লুটে নেয় ডাকাতদল। প্রায় আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ডাকাতির ঘটনা। এ সময় সেতুটির উভয় পাশে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও ডাকাতদের হাতে অস্ত্র থাকায় কেউ সামনে এগিয়ে যায়নি।

[৫] এ ঘটনার মাত্র দেড় ঘণ্টা পর একই ডাকাতদল আবার দৌলতপুর আটানী মসজিদ এলাকায় ডাকাতি করে। দুটি দোকান ও মেঘনা নদীতে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি বাল্কহেড থেকে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও ১৭টি মোবাইল সেট লুটে নেয় তারা। এ সময় দোকান মালিক মোজাহিদ ডাকাতদের বাধা দিতে গেলে তার ওপর গুলি চালায় ডাকাতদল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

[৬] প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত বারোটার সময় ডাকাতদলের দুসদস্য প্রথমে তৌহিদ ও মুজাহিদের দোকানে সিগারেট কিনতে যায়। তাদের মুখে মুখোশ এবং আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় দোকান বন্ধ করে দিতে চান দোকানদাররা। তখন ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা দোকান দুটি ঘিরে ফেলে। অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে সবকিছু দিয়ে দিতে বলে। এ সময় দোকানদার মুজাহিদ অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর গুলি চালানো হয়। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত