প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নাগোরনো-কারাবাখে মানবিক সংকটের আশঙ্কা, যুদ্ধ চলছেই

সিরাজুল ইসলাম: [২] আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলো বলছে, যুদ্ধ দীর্ঘ স্থায়ী হলে ওই অঞ্চলে খাদ্যসহ নানা মানবিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। এরই মধ্যে অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। তারা মানবেতর দিন পার করছে। রয়টার্স

[৩] মানবিক সঙ্কট এড়াতে অবিলম্বে দুই পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্ত বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছে মিনস্ক গ্রুপ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। ১১ সদস্যের এই মিনস্ক গ্রুপে আছে রাশিয়া ও তুরস্কও; কিন্তু তুরস্ক আলোচনায় জড়িত নয়।

[৪] ওই অঞ্চলের যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়া ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা টেলিফোনে কথা বলেছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করেছেন। বুধবারও তারা যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আনাদোলু

[৫] তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন, যুদ্ধবিরতির দাবি যুক্তিযুক্ত। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত আর্মেনিয়াকে আজেরি অঞ্চল থেকে সরে যেতে বলা; অথচ, এমন কোনও আহ্বান জানানো হচ্ছে না- এটা দুঃখজনক।

[৬] কারাবাখের মারতুনি শহরে মঙ্গলবার গোলা হামলার কথা জানিয়েছেন রয়টার্সের এক ফটোসাংবাদিক। তিনি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেছেন। এছাড়া রয়টার্সের এক টিভি সাংবাদিক আজারবাইজানের টার্টার শহরের কেন্দ্রস্থলে গোলা হামলা হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

[৭] আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, আর্মেনিয়া গোরানবোয়, আঘদাম, টার্টারসহ আজেরি অঞ্চলগুলোতে গোলাবর্ষণ করছে। কিন্তু আজারবাইজান বাহিনী যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে না। আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, সাময়িকভাবে শান্ত থাকার পর আজেরি বাহিনী আবার অভিযান শুরু করেছে। ডেইলি সাবাহ

[৮] নাগোরনো-কারাবাখ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আজারবাইজানের ভূমি হিসেবে। আর্মেনিয় নৃগোষ্ঠীর লোকজন অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে আর্মেনিয়ার সমর্থন ও সহায়তা নিয়ে।

[৯] ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, প্রাণ নিয়েছে শত শত মানুষের। কারাবাখ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত তাদের ৫৪২ সেনা নিহত হয়েছে। আজারবাইজান সেনা নিহতের কথা জানায়নি। বিবিসি

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত