প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দুর্যোগকালীন ও সেশনজটমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় অনলাইন পাঠদানে গুরুত্বারোপ

শরীফ শাওন: [২] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, কোর্স ক্রেডিট সিস্টেম ও অনলাইন পাঠদানের অনুমতি পাওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার ঘটেছে। কোভিড মহামারিতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান রয়েছে। সাময়িক নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থায় অনলাইন পাঠদান অব্যাহত রাখা উচিত।

[৩] তিনি বলেন, সাধারনত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররা সপ্তাহে একটি ক্লাস করে থাকে। অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে তারা একাধিক ক্লাস করতে পারে। ক্লাসগুলো অনলাইনে আপলোড থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা যখন খুশি পাঠগ্রহণ ও শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন।

[৪] স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ১৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ১০০টিতে অনলাইন শিক্ষা পুরোপুরি কার্যকর। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সকল বিশ্ববিদ্যালয়কে অনলাইন শিক্ষা বাস্তবায়নের অনুমতি দিয়েছে। সরকার অনলাইন শিক্ষায় ভর্তুকি দিচ্ছে।

[৫] তিনি বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা সেশনজটমুক্ত থাকবে।

[৬] জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ বলেন, অনলাইন পাঠদানে ইতোমধ্যে আমরা ১৭ হাজার ক্লাসের ব্যবস্থা করেছি।

[৭] কোভিড মহামারিতে দীর্ঘ ৭ মাস বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালু রাখতে সরকার বিভিন্ন মাধ্যমে অনলাইন পাঠদান কার্যক্রম চালু করে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অটোপাশ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ ও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে এমন কোন সিদ্ধান্ত এখনো গ্রহন করা হয়নি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স কোর্সের প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার পরীক্ষার অভাবে সার্টিফিকেট গ্রহণ ও চাকরির আবেদন সময়সীমা হারানোর শঙ্কায় রয়েছে।

[৮] সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় সার্টিফিকেট দিয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা, বিদেশে উচ্চ শিক্ষা ও চাকুরির জন্য আবেদন করতে পারে। অটোপাস বা মূল্যায়নের ভিত্তিতে সার্টিফিকেট দেয়া হলে পরবর্তী জীবনে শিক্ষার্থীরা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

[৯] সংশ্লিষ্টরা আরো জানান, অনলাইনে পাঠদানের পাশাপাশি সৃজনশীল প্রশ্নের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। এতে নকল করার সুযোগ থাকবে না, একইসঙ্গে মেধা মূল্যায়ন সম্ভব হবে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত