প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশে হার্ড ইমিউনিটি হয়েছে কি না তা জানতে আরও গবেষণা করতে হবে, অভিমত বিশেষজ্ঞদের

লাইজুল ইসলাম: [২] জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ আইসিডিডিআরবি’র যৌথ গবেষণায় জানা গেছে, অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় ঢাকার ৪৫ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে প্রথম করোনার সেরোসার্ভিলেন্স নিয়ে করা এক যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

[৩] যদিও করোনার সংক্রমণ বস্তিতে কম মাত্র ৬ শতাংশ। তবে গবেষণা বলছে ৭৪ শতাংশ বস্তিবাসীর শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

[৪] গবেষক ডা. ফেরদৌস কাদরি বলেন, ঢাকার মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডির হার এনকারেজিং। অ্যান্টিবডি খুব কম সময়ের জন্য অবস্থান করে এবং আমরা কিছু কিছু মানুষের দ্বিতীয়বারের মতো সংক্রমণের তথ্যও পেয়েছি।

[৬] বস্তিতে কম আক্রান্ত ও বেশি অ্যান্টিবডির বিষয়ে তিনি বলেন, বেশির ভাগই লক্ষণ উপসর্গহীন। কিন্তু তাতে বলা যাবে না যে কম সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

[৭] আইইডিসিআরবি’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, জাতীয় পর্যায়ে আমরা সার্ভিলেন্স করছি। সেই ফিগার ও বর্তমান পরীক্ষার ফিগার মিলিয়ে দেখলে একটি ফলাফল পাওয়া যাবে। তবে এতে বলা যাবে না দেশে হার্ডইমিউনিটি তৈরি হয়েছে।

[৮] আইইডিসিআর’র উপদেষ্টা ডা. এম মুশতাক হোসেন বলেন, যেহেতু বস্তিতে পিসিআর টেস্ট কম হয় সেজন্য সংক্রমণও কম। অ্যান্টিবডি একজন ব্যক্তির শরীরে তিন মাস পর্যন্ত থাকে। যদি এই সমীক্ষা জুলাইতে করা হয়ে থাকে তাহলে এখনও অ্যান্টিবডির উপস্থিতি আছে। তিন মাসের গবেষণার পর সেখানে আবারও গবেষণা করে দেখতে হবে অ্যান্টিবডি আছে কিনা। দেশে হার্ড ইমিউনিটি হয়নি। সম্পাদনা: ইকবাল খান

সর্বাধিক পঠিত