প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] একাদশের বই বিক্রি হয়েছে ২ শতাংশ, ধ্বংশের মুখে লাইব্রেরি বাণিজ্য

শরীফ শাওন: [২] বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশনী সমিতির সহ সভাপতি শ্যামল পাল বলেন, ৫০ শতাংশ লাইব্রেরি ও পাবলিকেশন বন্ধের পথে। ৮০ শতাংশ কর্মচারী অবৈতনিক ছুটিতে আছে। সমিতির আওতায় সারাদেশে ২৬ হাজার পাবলিকেশন ও খাতটিতে প্রায় ৫ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত।

[৩] তিনি বলেন, একাদশের বই বাজারে আসার প্রথম সপ্তাহে ২৫ শতাংশ বিক্রি হয়ে থাকে। এবার বিক্রির পরিমান খুবই নগন্য। বড় বুক হাউজগুলো পুঁজি হারাচ্ছে, গ্রামের বা ছোট হাউজগুলোর অনেকে শূন্য হয়েছে।

[৪] সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে বুক হাজউগুলো ঘুরে দেখা যায়, অনেকেই বইয়ের পাশাপাশি ষ্টেশনারী, কসমেটিকস, খেলনা, জুতো ও গিফট সামগ্রিসহ অন্যান্য দ্রব্যাদী বেচাকেনা করছেন। বড় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তোফাজ্জল বুক হাউজে দেখা যায় একটি কর্ণারে কম্পিউটার সামগ্রি বিক্রি করছে। এছাড়াও সেলিম বুক হাওজ ও ছাওয়াল বুক হাউজে কসমেটিকস বিক্রি করতে দেখা যায়।

[৫] তোফাজ্জল বুক হাউজ স্বত্তাধীকারী রাকিব হোসেন বলেন, বুক হাউজগুলোর মধ্যে বড়, পুরোনো ও ঔতিহ্য নিয়ে ব্যবসা করলেও গত ৬ মাসে ৬০ লাখ টাকা পুঁজি হারিয়েছি। যাদের পুঁজি সংকট তারা চলবে কিভাবে?

[৬] তিনি বলেন, একাদশের বই ছাড়ার প্রথম চালানে প্রতিটি বোর্ড বইয়ের ৩০০ থেকে ৫০০টি কপি পেতাম, এখন পাচ্ছি ১০টি। প্রথম সপ্তাহে ৫ হাজার কপি বিক্রি করলেও এবার বিক্রি হয়েছে ৫০০টি। প্রতিদিনের গড় বিক্রি থাকে ২ লাখ টাকা। বইয়ের উপর ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় বিক্রি হওয়ার কথা আড়াই লাখ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ৩৫ হাজার টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত