শিরোনাম
◈ কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান, সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় ◈ উজানের পানিপ্রবাহ বন্ধ, অপরিকল্পিত সেতু ও খননে মৃতপ্রায় ভৈরব নদ; বাঁচাতে পদ্মার সঙ্গে পুনঃসংযোগের দাবি ◈ ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, ৩ হাজার ৯৮১ ইউনিয়নের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির; তফসিল ১০ ডিসেম্বর ◈ যে ৫১ অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন মালয়েশিয়াগামী কর্মীরা, ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ◈ নরসিংদীতে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে পর্ন ভিডিও তৈরি করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পর্নসাইটে বিক্রির অভিযোগ! ◈ কোস্ট গার্ডের ৪ জাহাজের নাম পরিবর্তন, দায়িত্ব পালনকালে শহীদ ৪ সদস্যের নামে নতুন নামকরণ ◈ খুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেয়ালচিত্রে কালি মাখাল দুর্বৃত্তরা, লিফলেটে ভারত ও রবীন্দ্রবিদ্বেষী বার্তা ◈ টেকনাফের পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে ◈ মৃত্যুর আগে রহস্যময় ১৫ মিনিটের হিসাব নেই, কী ঘটেছিল তখন তাহসিফের সঙ্গে ◈ ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২০, ০৩:০৪ রাত
আপডেট : ০৬ অক্টোবর, ২০২০, ০৩:০৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতার প্রস্তাব প্রত্যাখান করলেন নিউ ক্যালেডোনিয়ার বাসিন্দারা

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] গণভোটে দেখা গেছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের প্রবাল দ্বীপটির বাসিন্দাদের ৫৩.২৬ শতাংশই ফ্রান্সের অধিনস্ত থাকতে চান। মোট ভোটারের ৮৫.৬ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। ২ বছর আগে প্রথম গণভোটেও ৫৬.৭ শতাংশ ভোটার ফ্রান্সে থাকার পক্ষেই ছিলেন। বিবিসি।

[৩] প্রায় ১৭০ বছর ধরে নিউ ক্যালেডোনিয়া ফ্রান্সের অধীনে রয়েছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই ফলকে তার প্রজাতন্ত্রের প্রতি আস্থা অভিহিত করে স্বাগত জানিয়েছেন। প্রায় ২ দশক আগে যে সিরিজ ভোটের সিদ্ধান্ত হয়েছিলো এটি তারই অংশ। ফ্রান্স ২৪

[৪] ১৯৮০ এর দশকে দেশটিতে স্বাধীনতার দাবিতে  স্থানীয়  কানাক গোষ্ঠী ও দ্বীপেই জন্মানো ইউরোপীয়দের ব্যাপক সংঘাত হয়। কানারা মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ। আর ইউরোপীয়রা মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ। জনসংখ্যার বাকি অংশ সংকর অথবা ভিন্ন দ্বীপ থেকে আসা অধিবাসীরা।

[৫] ১৯৯৮ সালের নউমেয়া চুক্তি অনুযায়ী স্বাধীনতা বিষয়ে মোট ৩টি গণভোট অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। শেষ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে ২০২২ সালে।

[৭] নিউ ক্যালেডোনিয়ায় বড় ধরণের নিকেল মজুদ রয়েছে। তাই দ্বীপটিকে ফ্রান্স এই অঞ্চলে বড় ধরণের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিবেচনা করে। এখানে অবশ্য বেশ বড় মাত্রায় স্বায়ত্বশাসন দিয়ে রেখেছে ফ্রান্স। সম্পাদনা: ইকবাল খান

  • সর্বশেষ