প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মেয়াদ উত্তীর্ণ মোংলা পোর্ট পৌরসভার দ্রুত নির্বাচন দাবি

মনিরুল ইসলাম : [২] সুশাসন নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে মেয়াদ উত্তীর্ণ মোংলা পোর্ট পৌরসভার দ্রুততম সময়ে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ।

[৩] সোমবার ৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

[৪] সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর মোংলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক শেখ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন সুজনের সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সিপিবি’র সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা’র সাধারণ সম্পাদ শরীফ জামিল, সুজন’র সমন্বয়কারী দিলীপ সরকার, হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি সেকেন্দার হায়াত, সর্বদলীয় সম্প্রীতি উদ্যোগ মোংলার সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সাকিলা পারভীন, সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম সুজন, নাগরিক নেতা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উৎপল মন্ডল, মোংলা পৌর বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম ব্যাপারী, মোংলা পৌর জাতীয় পার্টির নেতা মো. সেলিম হোসেন প্রমূখ।

[৫] সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার কোন নির্বাচন হচ্ছে না। একের পর এক মামলা দিয়ে নির্বাচন আটকে রাখা হয়েছে। এখন মামলা নিষ্পত্তি হলেও নির্বাচনের উদ্যোগ নেই। ইতিমধ্যে মহামান্য হাইকোর্ট সকল ষড়যন্ত্রমূলক মামলা খারিজ করে দিয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসন সেই মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণে মোংলা পৌর নির্বাচন আটকে আছে।

[৬] সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান পৌর মেয়র বিএনপি নেতা মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। এর ফলে নেতৃত্ব’র বিকাশ এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

[৭] তারা আরও বলেন, মেকানিজম করে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে জনগণের রায় ছাড়া জগদ্দল পাথরের মতো চেয়ার আকড়ে থাকা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। তারা মেয়র জুলফিকারকে পৌর মেয়রের পদত্যাগের আহ্বান জানান।

[৮] উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি মোংলা পোর্ট পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়।

 

সর্বাধিক পঠিত