শিরোনাম
◈ ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা! ◈ শিক্ষার্থীর ফোন হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে শিক্ষক বললেন, ‘নেক্সটে ফোন আনতে চিন্তা কইরো’ ◈ কেরানীগঞ্জে সেলুনে ফরহাদকে কুপিয়ে হত্যা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল হামলার দৃশ্য ◈ গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:৪৫ সকাল
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি

সিরাজুল ইসলাম: [২] ১৯৭৭ সালে কোর্ট মার্শালে সেনা ও বিমান বাহিনীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নির্দোষ এবং আজিমপুর কবরস্থানে তাদের স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করার দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

[৩] কোর্ট মার্শালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজন এবং চাকরিচ্যুতদের ‘সাতাত্তরের ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ নামে একটি সংগঠন এ মানববন্ধন করেছে।

[৪] মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান মিয়া লেলিন বলেন, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মত্যুদণ্ড কার্যকরের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু তিনি বাবার মরদেহ দেখার সুযোগ পাননি। তখন তার বয়স ছিলো ৬ বছর।

[৫] তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ফাঁসি দিতে শুরু করেন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান। এর ছয় দিন পর তিনি মার্শাল ল আইন পাস করেন। নিয়ম অনুযায়ী, মার্শাল ল ট্রাইব্যুনালে বিচারক থাকেন পাঁচ সেনা কর্মকর্তা। তাদের একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং বাকি চারজন ক্যাপ্টেন। চাকরির বয়স ন্যূনতম তিন বছর হতে হয়। কিন্তু জিয়া তা পরিবর্তন করে সিপাহী ও হাবিলদারদের বিচারক করেন। তারা খেয়ালখুশি মতো রায় দিয়েছে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

 

  • সর্বশেষ