শিরোনাম
◈ অভিমান করে লাপাত্তা ৩ কিশোরী অতঃপর... ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের পরবর্তী সভাপতি তামিম ইকবাল?  ◈ কারাগারে কয়েক বন্দির জন্য লাক্সারি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়ায় ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে ◈ ২০২৭ সালের হজে নতুন প্যাকেজ, এক চুক্তিতেই থাকা-খাওয়া-যাতায়াত ◈ জিয়ার খুনি মোজাফফরকে যে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা ◈ সালমান এফ রহমানকে বাদ দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মার নতুন পর্ষদ অনুমোদন ◈ ইসলামী ক্রেডিট কার্ড: ব্যবহার করা যাবে না অনৈতিক কাজে ◈ ২০২৬ সালেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিনগ্রহীর সঙ্গে যোগাযোগ! বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে চাঞ্চল্য ◈ অপ্রতিমকে হত্যার আগে গোয়েন্দা সিরিজ দেখে ‘নিখুঁত অপরাধের’ ছক, জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:৪৫ সকাল
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:৪৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি

সিরাজুল ইসলাম: [২] ১৯৭৭ সালে কোর্ট মার্শালে সেনা ও বিমান বাহিনীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নির্দোষ এবং আজিমপুর কবরস্থানে তাদের স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করার দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

[৩] কোর্ট মার্শালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজন এবং চাকরিচ্যুতদের ‘সাতাত্তরের ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা’ নামে একটি সংগঠন এ মানববন্ধন করেছে।

[৪] মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিমানবাহিনীর সার্জেন্ট মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমানের ছেলে কামরুজ্জামান মিয়া লেলিন বলেন, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মত্যুদণ্ড কার্যকরের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু তিনি বাবার মরদেহ দেখার সুযোগ পাননি। তখন তার বয়স ছিলো ৬ বছর।

[৫] তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ফাঁসি দিতে শুরু করেন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান। এর ছয় দিন পর তিনি মার্শাল ল আইন পাস করেন। নিয়ম অনুযায়ী, মার্শাল ল ট্রাইব্যুনালে বিচারক থাকেন পাঁচ সেনা কর্মকর্তা। তাদের একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং বাকি চারজন ক্যাপ্টেন। চাকরির বয়স ন্যূনতম তিন বছর হতে হয়। কিন্তু জিয়া তা পরিবর্তন করে সিপাহী ও হাবিলদারদের বিচারক করেন। তারা খেয়ালখুশি মতো রায় দিয়েছে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

 

  • সর্বশেষ