প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করতোয়া নদীর পানি ১০৭ সে.মি. ও ঘাঘটের পানি বিপদসীমার ২০ সে.মি. ওপরে

আনোয়ার হোসেন: [২] গাইবান্ধায় সবগুলো নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার এখনও বেশ কিছুটা নিচে। তবে করতোয়া ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার অনেক উপরে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার করতোয়ার পানি বিপদসীমার ১০৭ সে.মি. ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

[৩] এদিকে গোবিন্দগঞ্জে করতোয়ার পানি অব্যাহত বৃদ্ধি পাওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া সাপমারা ই্উনিয়নের চকরহিমাপুর নামক স্থানে করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ ভেঙ্গে গেছে। এতে করে পানি ঢুকে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

[৪] এদিকে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর ভায়া ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় পানি উঠায় ঝুঁিক নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এছাড়া পলাশবাড়ি উপজেলায় করতোয়া নদীর পাানি বৃদ্ধির ফলে কিশোরগাড়ি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলকায় পানি ঢুকে পড়েছে। অপরদিকে ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা, রসুলপুর, কামারপাড়া এবং সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে।

[৫] এদিকে এখন পর্যন্ত ৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যার্ত মানুষজন এসে আশ্রয় নিচ্ছে। এদিকে গোবিন্দগঞ্জ বন্যা কবলিত এলাকার জন্য জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভান্ডার থেকে আর ১৫ মে. টন চাল ও ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত