প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কমলগঞ্জের পৌর শহরে ময়লার ভাগাড়, বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

সোহেল রানা: [২]জনসচেতনতার অভাব আর দায়িত্ববানদের অবহেলা ও কর্তৃপক্ষের চরম অব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পৌরবাসীসহ ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের জনগণ ও পথচারীরা। পৌর বাজারের মাছের উচ্ছিষ্ট বর্জ্য মুরগির পচা নাড়িভুঁড়ি,নষ্ট সবজি,মুূদির দেকান সহ ফার্মেসির সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে এখানে। স্থানটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এমন চিত্র দেখা যায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের ভানুগাছ রেলওয়ে ষ্টেশন রোড এলাকায়।

[৩] স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর র্কতৃপক্ষের অবহেলার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে এখন আশপাশের এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে।

[৪] সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের সব ময়লা আবর্জনা অপরিকল্পিতভাবে ফেলা হচ্ছে ওই স্থানে। এ থেকে সৃষ্টি হচ্ছে দুর্গন্ধ। ফলে স্থানীয়দের চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

[৫] নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, শুনেছি গ,শ্রেণি থেকে খ,শ্রেণিতে আমাদের কমলগঞ্জ পৌরসভা উত্তীর্ণ হয়েছে। আর বাস্তবে তার অবস্থান নিম্ন পর্যায়ের। নেই কোনো গণসৌচ্চাগার, নেই ময়লা ফেলানোর কোনো র্নিদিষ্ট জায়গা বা ড্রাসবিন এছাড়াও ড্রেনের পানি যাওয়ার জন্য তেমন কোনো ব্যবস্তা নেই। তবে উন্নতি হয়েছে দোকানের ট্রেড লাইসেন্সের ফি ও বাড়ি ঘরের টেক্সের। শুধু উন্নতি হয়নি পৌর নাগরিকদের সেবার মান।

[৬] জানা যায়, ড্রেনের পানি যাওয়ার জন্য পৌর বাজারেরমধ্যে খানে একটি খাল রয়েছে। শহরের ময়লা আর্বজনা ফালানোর ফলে খালটি প্রায় ভরপুর হয়ে গেছে। যার কারনে ড্রেনের পানি যাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে রয়েছে। আর এরজন্য বর্ষা মৌসুমে প্রায় সময় দূর্ভোগে পড়তে হয় ব্যবসায়ীসহ জনগণের। এ বিষয়ে আলাপকালে পথচারী জব্বার, ছমেদ, মুহিত, মহসিন, স্কুলছাত্র ফামিদ, রাজনসহ

[৭] আলাপকালে কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমদ বলেন, এটা পৌরসভার ময়লা ফেলার কোনো নির্ধারীত স্থান নয়। এছাড়া কমলগঞ্জ পৌরসভায় ময়লা ডাম্পিং করার জন্য কোন জায়গা নাই। তবে আমরা মন্ত্রণালয়ে ময়ালা ডাম্পিং করার জন্য জায়গা কিনার প্রস্তাব পাঠিয়েছি আশা করছি অচিরেই প্রস্তাবটি পাশ হয়ে আসবে।

[৮] তিনি বলেন,বাজারের ব্যবসায়ীরা এখানে ময়লা ফালায় আর এ বিষয়ে আপনি বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। স্থানীয় কাউন্সিলার ও এলাকার কিছু সমাজসেবী সংগঠনের সহযোগীতায় ও আমার নেতৃত্বে একাধিকবার এই ময়লা পরিস্কার করা হয়েছে। তারপরেও বারবার ময়লা ফেলানো হলে পরিস্কার করা কি সম্ভব। বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য কমিটি আছে। এ বিষয়ে মেয়র হিসাবে পৌর বণিক সমিতির সভাপতি ও সম্পাদককে মৌখিকভাবে বহুবার বলেছি।

[৯] সমিতির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া শফি বলেন, আমার সাথে বা আমাদের সমিতির কারো সাথে পৌর মেয়র এবিষয়ে কোনো কথা বলেননি। এছাড়া পৌর বাজার ইজার দেন পৌর মেয়র, ট্রেড লাইসেন্সের ফি আদায় করেন পৌর র্কতৃপক্ষ। আর পৌর আইন অনুযায়ী পৌর শহরের ময়লা আর্বজনা পরিস্কার করার দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের। পৌর বণিক সমিতি ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপক্তার জন্য কাজ করে থাকে। শহরের ময়লা বা আর্বজনা পরিস্কার করা পৌর বণিক সমিতির কাজ নয়। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত