প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন শনিবার

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: [২] পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনির এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

[৩] ইতিমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।

[৪] এই আসনে ৮৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬৩টিকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১৭ জন করে সদস্য মোতায়েন করা হবে। সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে থাকবেন ১৬ জন করে। এখানে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রায় দুই হাজার পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

[৫] এদিকে নির্বাচন নিয়ে নানা শঙ্কার কথা প্রকাশ করছেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীরা। তাঁরা নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও একই কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।

[৬] ইসি সূত্র জানায়, পাবনা-৪ আসনটি ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া— এই দুই উপজেলা দু’টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪টি, মোট ভোটার ৩ লাখ ৮১ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪১৫ জন।

[৭] এর আগে গত ২৩ আগস্ট পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী উপনির্বাচনে মনোননয়পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ছিল ২ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই হয় ৩ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল ছিল ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়পত্র বাতিলের আপিল নিষ্পত্তি করা হয় গত ৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ছিল ৮ সেপ্টেম্বর। এর পর থেকেই তিন প্রার্থী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

[৮] সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু মারা যাওয়ায় পাবনা-৪ (আটঘরিয়া-ঈশ্বরদী) আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়। গত ২ এপ্রিল তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের ৪ দফায় অনুযায়ী সংসদ ভেঙে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তবে কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে ইসি আরও ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন করতে পারবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবারে সেই পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত যাচ্ছে নির্বাচন।

[৯] ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন নিয়ে কেউ যদি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়, তবে সেটি কঠোরভাবে দমন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সেই লক্ষ্যে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন পয়েন্টে র্যা ব ও পুলিশের তল্লাশি ও টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি।

[১০] পাবনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ বলেন, পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের সহিংসতা না ঘটে এবং ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া আছে। সম্পাদনা: জেরিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত