শিরোনাম
◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন  ◈ বিএনপির অস্তিত্বের লড়াই, জামায়াতের নতুন স্বপ্ন: সারাদেশে চলছে ভোট গ্রহণ ◈ ভোটের দিনে স্বাভাবিক রয়েছে মেট্রোরেল ও ট্রেন চলাচল ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের টহল, কেন্দ্রে কেন্দ্রে উৎসবের আমেজ ◈ গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি নাসির উদ্দিন ◈ গুলশান কেন্দ্রে ভোট দিলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:০৯ দুপুর
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ৯ বছরে ৯টি বিয়ে অতঃপর ধরা পড়ল পুলিশের জালে

রাজু চৌধুরী : [২] সরকারি বা সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ৯ বছরে বিয়ে করেছেন ৯টি। এর বাইরে প্রেমিকা রয়েছে আরো ৪ জন। তাদেরও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শুধু বিয়ে নয়, চাকরি দেয়ার নাম করেও শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। অবশেষে চট্টগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন প্রতারক সোলায়মান। কিন্তু পেশায় তিনি সিকিউরিটি সুপারভাইজার। বিয়ে পাগল প্রতারক সোলায়মানের বাড়ি বরগুনা। জানা গেছে সেখানেও তার বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের অভিযোগ রয়েছে।

[৩] প্রতারক সোলায়মানকে নিয়ে আগেই বেশ কিছু তথ্য পেয়েছিলো গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে আটক করা যাচ্ছিলো না। শেষ পর্যন্ত ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মামলার প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে পাহাড়তলী থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

[৪] অতিরিক্ত উপ কমিশনার আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, বিভিন্ন অফিস বা আর্মির বিভিন্ন সদস্যদের পোশাক পরা ছবিতে নিজের মুখ লাগিয়ে সেভাবে উপস্থাপন করেছে।

[৫] আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোলায়মান স্বীকার করে নানা পরিচয়ে ৯ বছরে ৯ জনকে বিয়ে করার পাশাপাশি আরো কয়েকজনকে বিয়ের আশ্বাস দেয়ার কথা।

[৬] বিয়ে করেই প্রতারণার শেষ নয় সোলায়মানের। স্ত্রীদের দিয়ে যেমন এনজিও থেকে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেছে, তেমনি চাকরি দেয়ার কথা বলে শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়েছে সে।

[৭] উপ পরিদর্শক মনির হোসেন বলেন, সবাই জানত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। এই বিশ্বাস থেকেই সবাই তাকে টাকা দিয়েছে। আর সে এভাবেই সবার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়