প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে রাজধানীর মদের বার, নিরব পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

ইসমাঈল ইমু : [২] স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে হোটেল-বার বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও রাজধানীতে অবাধে প্রায় সব বারই খেলো রয়েছে। অনেক বারের প্রধান ফটক বন্ধ থাকলেও পকেট গেট খোলা রেখে ক্রেতাদের যাতায়াতের সুযোগ সৃষ্টি করে মদ বিয়ার বিক্রি চলছে।

[৩] গত মার্চের শেষ দিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার পর বেশ কিছুদিন বন্ধ ছিল এসব বার। দুইমাস যেতে না যেতেই আবারো প্রশাসনের নজর এড়িযে পুরোদমে চালু করা হয় বার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট খানা পুলিশ এ বিষয়ে অবগত থাকলেও তারাও ছিল নিশ্চুপ।

[৪] এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শুক্রাবাদের এরাম ইন্টারন্যাশনাল বারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার অবৈধ মদ ও বিয়ার জব্দ করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা। এ থবর ছড়িয়ে পড়লে রাজধানীর অন্য বারগুলোতে প্রবেশ ও বিক্রি সীমিত আকারে চালিয়েছে বলে জানা গেছ।

[৫] নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের (মূল্য সংযোজন কর) মহাপরিচালক ড. মইনুল খান জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে হোটেল-বার বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু অভিযানকালে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মদ ও বিয়ার বিক্রি অব্যাহত রেখেছে। গত কয়েক মাসে তারা শূন্য বিক্রয় দেখিয়ে মোহাম্মদপুর সার্কেলে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে। কিন্তু হোটেল এরাম প্রাঙ্গণ থেকে জব্দ করা বাণিজ্যিক কাগজ থেকে জানা যায় তারা ওই সব মাসে মদ বিক্রি করেছেন। এ-সংক্রান্ত চালানের কপি পাওয়া গেছে। এতে সরকারের ভ্যাট ফাঁকির অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

[৬] একইসঙ্গে হোটেল প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা মদ ও বিয়ারের স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এসব মদ ও বিয়ার হোটেলের ছাদ, মেঝে ও গ্যারেজের বিভিন্ন স্থানে লুকানো ছিল।

[৭] উদ্ধার করা মদের মধ্যে রয়েছে ৩৭৪ বোতল বিদেশি হুইস্কি এবং তিন হাজার ৬৭২ ক্যান বিদেশি বিয়ার। আটক হুইস্কি বিদেশি বিভিন্ন নামি ব্রান্ডের। এদের মধ্যে আছে ভ্যাট ৬৯, হোয়াইট হর্স, ব্লাক অ্যান্ড হোয়াইট, ব্লাক রাম, স্মিরনফ, চেরি ব্রান্ডি, পাসপোর্ট, ভ্যালেন্টাইন, জিন হুইস্কি, আটাস্কা, স্যার পিল্টার সন। অন্যদিকে বিয়ারের মধ্যে আছে হেনিকেন, ব্লাক ডেভিল, হলান্ডিয়া।

সর্বাধিক পঠিত