শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাহাড়ি পথে ১১ ঘণ্টায় ২৪ কি.মি. হেঁটে গ্রামবাসীর কাছে মুখ্যমন্ত্রী !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাহাড়ি পথে ১১ ঘণ্টায় ২৪ কিলোমিটার পথ হেঁটে গ্রামবাসীর কাছে গেছেন ভারতের অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্দু। ৪১ বছর বয়সী মুখ্যমন্ত্রী পায়ে হেঁটে তাওয়াং থেকে ৯৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত লংথাং গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে তিনি নানা বিষয়ে গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলার মুক্তো এলাকা পেমাং খান্দুর নির্বাচনী এলাকার মধ্যে পড়েছে। তাওয়াং থেকে ৯৭ কিলোমিটার দূরে জঙ্গল-পাহাড়ে ঘেরা লুংথাং গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। গত বৃহস্পতিবার এই যাত্রার কথা টুইট করে জানিয়েছেন পেমা খান্দু।

টুইটে পেমা খান্দু লেখেন, ‘খারপু লা (১৬ হাজার ফুট) অতিক্রম করে লুংথাং (১৪ হাজার ৫০০ ফুট) যাওয়ার এই অভিজ্ঞতা এক কথায় অসাধারণ। লুংথাংয়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা হলো। তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনলাম। সরকারের সব রকমের সুবিধা যেন সেখানে পৌঁছায় সেই চেষ্টা করব।’

লুংথাং গ্রামে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় ১০টি ঘর রয়েছে। সেখানে ৫০ জন বাস করেন। তাদের সঙ্গে দেখা করতেই ১১ ঘণ্টা ট্রেক করেছেন পেমা খান্দু। লুংথাং যাওয়ার কোনো পাকা রাস্তা না থাকায় পাহাড়ি রাস্তা পেরিয়ে সেখানে যেতে হয়। তবে এই যাত্রার সময় আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার মতো। শুধু খারপু লা নয়, এই যাত্রাপথের মধ্যে অসংখ্য লেক অতিক্রম করতে হয়।

অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী গ্রামটিতে গিয়ে সেখানকার এক স্থানীয়ের বাড়িতে দুই রাত কাটিয়েছেন। তিনি সেখানে তাওয়াংয়ের বিধায়ক সেরিং তাশি, তাওয়াং মনেস্ট্রির সাধু ও গ্রামবাসীসহ জাংচুপ স্তূপে একটি প্রার্থনা সভায় অংশ নেন। এই স্তূপ তৈরি করা হয়েছিল পেমা খান্দুর বাবা, অরুণাচল প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী দর্জি খান্দুর নামে। ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল তাওয়াং থেকে ইটানগর যাওয়ার সময় এই লুংথাং গ্রামের কাছেই হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।

লুংথাং গ্রামের বাসিন্দারা ব্রোকপা উপজাতির। তারা পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গ্রীষ্মকালে পশুপালনের জন্য হিমালয়ের উপরের দিকে উঠে যান তারা। শীতকালে আবার নিজেদের গ্রামে তারা ফিরে আসেন। এই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে দেখা করতেই এ দীর্ঘ পথ হাঁটলেন করলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্র: এনডিটিভি বাংলা

  • সর্বশেষ