প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাঙামাটির জেলা প্রশাসককে ফ্রেন্ডস ক্লাবসহ সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নাগরিক সমাজের স্মারকলিপি

রাঙামাটি প্রতিনিধি: [২] কাপ্তাই হ্রদের বুকে নির্মাণাধীন অভিজাত ফ্রেন্ডস ক্লাবের নির্মাণাধীন স্থাপনা অপসারন, হ্রদে বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং পরিবেশ দূষন বিরোধী সকল কার্যক্রম রোখার দাবিতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে রাঙামাটির নাগরিক সমাজ।

[৩] বুধবার সকালে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশীদকে দেয়া এক স্মারকলিপিতে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়,‘কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, সাম্প্রতিক সময়ে হ্রদের পাড়ে ব্যাপকহারে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হ্রদের নৌ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে,যার দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই পড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে রিজার্ভমুখে শহীদমিনারের পাশে একটি অভিজাত হোটেল নির্মাণের অপচেষ্টা আপনার উদ্যোগে বন্ধ করে দেয়ার পর আবারও শহরের তবলছড়ি লঞ্চঘাটের নৌপ্রবাহে একটি অভিজাত ক্লাবের বহুতল ভবন নির্মাণের চেষ্টা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। একই সময়ে আসামবস্তি,রিজার্ভবাজার এবং বনরূপা এলাকায়ও একাধিক ভবন নির্মিত হতে দেখা যাচ্ছে হ্রদের বুকে। বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক।’

[৪] স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, ‘ষাটের দশকে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর সৃষ্ট কাপ্তাই হ্রদ রাঙামাটির পুরো জেলা এবং খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশের মানুষের খাবার ও ব্যবহার্য পানির প্রধান উৎস। দেশের অন্যতম নদী কর্ণফুলি,কাচালংও এই হ্রদের বুকে বিলীন হওয়ায় এই জলাধারটি এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেরও প্রধান মাধ্যম। এখানকার জীবন ও জীবিকার সাথে এই হ্রদের সম্পর্ক গভীরতর। এই জেলায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের নৌবিহারের অন্যতম আকর্ষন এবং দেশের মিঠাপানির মাছের অন্যতম প্রধান ভান্ডারও এই হ্রদ।’

[৫] একই সাথে বলা হয়-‘ কাপ্তাই হ্রদের পাড়ে নির্মিতব্য সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে হ্রদের পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেয়ার বিনীত আবেদন করছি। একই সাথে হ্রদে বর্জ্য ফেলাসহ পরিবেশ দূষণবিরোধী সকল কার্যক্রম বন্ধেও আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’ সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

সর্বাধিক পঠিত