প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আইসিসিতে মিয়ানমার সৈনিকের স্বীকারোক্তি দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অধ্যায়ের শুরু

তরিকুল ইসলাম : [২] দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) দুই জন মিয়ানমার সৈনিকের সরাসরি রোহিঙ্গা নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি ভাবিয়ে তুলেছে কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।

[৩] যদিও এর মধ্যে দিয়ে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

[৪] ওই দুই জনের নেদারল্যান্ডের হেগে আইসিসিতে যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে যথেষ্ঠ ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। তাদের যাওয়ার বিষয়ে কি চীন, বাংলাদেশ নাকি অন্যকোনো দেশ সহযোগিতা করেছে সেটিও অস্পষ্ট।

[৫] নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব:) আব্দুর রশিদ বলছেন, রাখাইনের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মিকে (আরসা) চীন অস্ত্র সহযোগিতা করছে বলে মিয়ানমার ও চীন সম্পর্কে টানাপড়েন চলছে।

[৬] মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতা ছাড়া তারা সেখানে যেতে পারার কথা নয়। তাহলে কি ভাবে গেলো? চীন-ভারত বাংলাদেশকে কাছে টানার প্রতিযোগিতাও এখানে কাজ করেছে কিনা সেটি প্রশ্ন।

[৭] রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চীন-ভারতের অবস্থান বাংলাদেশের পক্ষে স্পষ্ট না হলেও এবার উভয় দেশকে তাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হবে।

[৮] সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বলেন, এর ফলে বিচার ও দায়বদ্ধতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

[৯] এর প্রভাব আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (আইসিজে) উভয় জায়গাতে পড়বে।

[১০] আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলছেন, তারা যেভাবেই আইসিসি পর্যন্ত যান না কেন সেটার রাজনৈতিক প্রভাব তো আছেই। সম্পাদনা: ইকবাল খান
Attachments area

সর্বাধিক পঠিত