শিরোনাম
◈ ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলারে ব্যাংক এশিয়ার কাছে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে ব্যাংক আলফালাহ ◈ টানা ছুটি শেষে আজ থেকে খুলছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ রাশিয়া-ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বাংলাদেশের বিকল্প শ্রমবাজারের অপেক্ষা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ‘ভয়ংকর অপরাধে’ গ্রেপ্তার ১০ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ ◈ ‘প্রত্যেক নাগরিককে ২৫০০ টাকা বৈশাখী ভাতা’ নিয়ে যা জানা গেল ◈ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, আইনশৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ ◈ ভূমধ্যসাগরে দিক হারিয়ে ৬ দিন ভেসে থাকার পর ২১ বাংলাদেশিসহ ২৬ জন উদ্ধার, মৃত্যু অন্তত ২২ ◈ ড‌য়ে‌চে‌ভে‌লের প্রতি‌বেদন- আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই, বলছে সরকার ◈ সাফ চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শিপ, শ‌ক্তিশালী ভারতের সঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ ◈ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনে আবারও ৭ হাজার টন ডিজেল আমদানি শুরু

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফরিদপুরে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাঁশফুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি : [২] কালের পরিক্রমা ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফরিদপুর থেকে হারাতে বসেছে শরতের কাঁশফুল। একটা সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় কাঁশবনের ফুলগুলো দোল খেতো একটার সঙ্গে আরেকটা। এ সময় মনের অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেতো।

[৩] কবি জীবনন্দ দাশ শরৎকে দেখেছেন, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর’। শরতের এই অপরূপ রুপ দেখে মুগ্ধ কবি অবলীলায় পৃথিবীকে আর দেখার প্রয়োজন নেই সিদ্ধান্ত নেন। শরৎ শুভ্রতার ঋতু। শরৎ মানেই প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীর তীরে তীরে কাঁশফুলের সাদা হাসি।

[৪] নদীর দু’ধারে, আইলে শরৎকালের সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যায় না। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কাঁশবন।

[৫] এখন ফরিদপুরের গ্রাম-গঞ্জে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়টি কাঁশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত। নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা শহরগুলো এভাবেই শরতের সৌন্দর্যকে শুইয়ে দিচ্ছে সাদা কাফনের ভেতরে। সাধারণ মানুষের বিনোদন-প্রকৃতিতে দেখার শখ-আহ্লাদ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

[৬] এ কাঁশবন চাষে বাড়তি পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের প্রয়োজনও নেই। আপনা থেকে অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাঁশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

[৭] কাঁশবনের ব্যবহার বহুবিধ। চারাগাছ একটু বড় হলেই এর কিছু অংশ কেটে গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কাঁশ দিয়ে গ্রামের বধূরা ঝাটা, ডালি, দোন তৈরি করে আর কৃষকরা ঘরের ছাউনি হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। পদ্মার চর এলাকাসহ ফরিদপুরের কিছু নদী এলাকায় কাঁশবন দেখা মিলে। তখন মানুষ নিজের অজান্তে হারিয়ে যায়। অতীত হাতড়ে থাকে।সম্পাদনা : আরাফাত

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়