শিরোনাম
◈ ভার‌তে খেলোয়াড়‌দের হা‌তে মার খে‌য়ে মা‌ঠেই চিৎপটাং রেফা‌রি ◈ নারী বিশ্বকা‌পের প্রস্তুতিতে অ‌ধিনায়ক জ্যােতি সন্তুষ্ট, লক্ষ্য আ‌গের চে‌য়ে ভালো করার ◈ বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন উদ্যোগ, ২৬ সমুদ্র ব্লক উন্মুক্ত, এবার কি মিলবে গ্যাসের বড় সুখবর? ◈ বৈধ চ্যানেলে বাড়ছে প্রবাসী আয়, খুশির খবর অর্থনীতিতে ◈ হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ১৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪৩৪ ◈ রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৭ দিনের মধ্যে,, ছুটি বাতিল হতে পারে বিশেষ আদালতের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে পুলিশ ◈ ঈদযাত্রায় ডিএমপির যে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন বাসমালিক ও যাত্রীদের জন্য ◈ জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে আওয়ামী লীগের মাফিয়ারা  ◈ টানা ৮ ঘণ্টার বেশি ড্রাইভিং নিষিদ্ধ, না মানলে লাইসেন্স বাতিল: বিআরটিএ

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফরিদপুরে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাঁশফুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি : [২] কালের পরিক্রমা ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফরিদপুর থেকে হারাতে বসেছে শরতের কাঁশফুল। একটা সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় কাঁশবনের ফুলগুলো দোল খেতো একটার সঙ্গে আরেকটা। এ সময় মনের অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেতো।

[৩] কবি জীবনন্দ দাশ শরৎকে দেখেছেন, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর’। শরতের এই অপরূপ রুপ দেখে মুগ্ধ কবি অবলীলায় পৃথিবীকে আর দেখার প্রয়োজন নেই সিদ্ধান্ত নেন। শরৎ শুভ্রতার ঋতু। শরৎ মানেই প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীর তীরে তীরে কাঁশফুলের সাদা হাসি।

[৪] নদীর দু’ধারে, আইলে শরৎকালের সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যায় না। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কাঁশবন।

[৫] এখন ফরিদপুরের গ্রাম-গঞ্জে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়টি কাঁশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত। নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা শহরগুলো এভাবেই শরতের সৌন্দর্যকে শুইয়ে দিচ্ছে সাদা কাফনের ভেতরে। সাধারণ মানুষের বিনোদন-প্রকৃতিতে দেখার শখ-আহ্লাদ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

[৬] এ কাঁশবন চাষে বাড়তি পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের প্রয়োজনও নেই। আপনা থেকে অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাঁশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

[৭] কাঁশবনের ব্যবহার বহুবিধ। চারাগাছ একটু বড় হলেই এর কিছু অংশ কেটে গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কাঁশ দিয়ে গ্রামের বধূরা ঝাটা, ডালি, দোন তৈরি করে আর কৃষকরা ঘরের ছাউনি হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। পদ্মার চর এলাকাসহ ফরিদপুরের কিছু নদী এলাকায় কাঁশবন দেখা মিলে। তখন মানুষ নিজের অজান্তে হারিয়ে যায়। অতীত হাতড়ে থাকে।সম্পাদনা : আরাফাত

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়