শিরোনাম
◈ তেল রপ্তানিতে বিকল্প পথ, ৫০০ মাইল পাইপলাইন পুনর্গঠনের পরিকল্পনা ◈ ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা, হরমুজ প্রণালিতেও অভিযান ◈ স্বচ্ছতার বিপক্ষে নই, তবে হস্তক্ষেপ মানি না: সরকারি হস্তক্ষেপ নিয়ে মুখ খুললেন শাহজালাল দরগাহের মোতাওয়াল্লী(ভিডিও) ◈ চীনে ‘বিয়ের’ নামে বিক্রি হচ্ছেন মিয়ানমারের নারীরা, জান্তা প্রধানকে প্রশংসায় ভাসাল বেইজিং ◈ ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আপিল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রায়, ২৫ বছরের আগে পদত্যাগে পেনশন নয় ◈ ৬ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঢাকায় কমবে বর্ষণ ◈ বস্ত্র ও পোশাক খাতে নতুন প্রণোদনা, রপ্তানিতে মিলবে বাড়তি নগদ সহায়তা ◈ বাউফলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে যৌন নিপীড়ন: প্রধান আসামি র‍্যাবের জালে ◈ পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফরিদপুরে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাঁশফুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি : [২] কালের পরিক্রমা ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফরিদপুর থেকে হারাতে বসেছে শরতের কাঁশফুল। একটা সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় কাঁশবনের ফুলগুলো দোল খেতো একটার সঙ্গে আরেকটা। এ সময় মনের অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেতো।

[৩] কবি জীবনন্দ দাশ শরৎকে দেখেছেন, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর’। শরতের এই অপরূপ রুপ দেখে মুগ্ধ কবি অবলীলায় পৃথিবীকে আর দেখার প্রয়োজন নেই সিদ্ধান্ত নেন। শরৎ শুভ্রতার ঋতু। শরৎ মানেই প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীর তীরে তীরে কাঁশফুলের সাদা হাসি।

[৪] নদীর দু’ধারে, আইলে শরৎকালের সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যায় না। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কাঁশবন।

[৫] এখন ফরিদপুরের গ্রাম-গঞ্জে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়টি কাঁশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত। নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা শহরগুলো এভাবেই শরতের সৌন্দর্যকে শুইয়ে দিচ্ছে সাদা কাফনের ভেতরে। সাধারণ মানুষের বিনোদন-প্রকৃতিতে দেখার শখ-আহ্লাদ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

[৬] এ কাঁশবন চাষে বাড়তি পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের প্রয়োজনও নেই। আপনা থেকে অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাঁশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

[৭] কাঁশবনের ব্যবহার বহুবিধ। চারাগাছ একটু বড় হলেই এর কিছু অংশ কেটে গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কাঁশ দিয়ে গ্রামের বধূরা ঝাটা, ডালি, দোন তৈরি করে আর কৃষকরা ঘরের ছাউনি হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। পদ্মার চর এলাকাসহ ফরিদপুরের কিছু নদী এলাকায় কাঁশবন দেখা মিলে। তখন মানুষ নিজের অজান্তে হারিয়ে যায়। অতীত হাতড়ে থাকে।সম্পাদনা : আরাফাত

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়