শিরোনাম
◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৩:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফরিদপুরে হারিয়ে যাচ্ছে শরতের কাঁশফুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি : [২] কালের পরিক্রমা ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফরিদপুর থেকে হারাতে বসেছে শরতের কাঁশফুল। একটা সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় কাঁশবনের ফুলগুলো দোল খেতো একটার সঙ্গে আরেকটা। এ সময় মনের অজান্তেই মানুষের মনে ভিন্ন রকম আনন্দের ঝিলিক বয়ে যেতো।

[৩] কবি জীবনন্দ দাশ শরৎকে দেখেছেন, ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই পৃথিবীর রুপ খুঁজিতে যাই না আর’। শরতের এই অপরূপ রুপ দেখে মুগ্ধ কবি অবলীলায় পৃথিবীকে আর দেখার প্রয়োজন নেই সিদ্ধান্ত নেন। শরৎ শুভ্রতার ঋতু। শরৎ মানেই প্রকৃতিতে শরৎ মানেই নদীর তীরে তীরে কাঁশফুলের সাদা হাসি।

[৪] নদীর দু’ধারে, আইলে শরৎকালের সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যায় না। কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে কাঁশবন।

[৫] এখন ফরিদপুরের গ্রাম-গঞ্জে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা যে কয়টি কাঁশফুল চোখে পড়ে সেগুলোও হারিয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত। নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা শহরগুলো এভাবেই শরতের সৌন্দর্যকে শুইয়ে দিচ্ছে সাদা কাফনের ভেতরে। সাধারণ মানুষের বিনোদন-প্রকৃতিতে দেখার শখ-আহ্লাদ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

[৬] এ কাঁশবন চাষে বাড়তি পরিচর্যা ও সার প্রয়োগের প্রয়োজনও নেই। আপনা থেকে অথবা বীজ ছিটিয়ে দিলেই কাঁশবনের সৃষ্টি হয়ে থাকে।

[৭] কাঁশবনের ব্যবহার বহুবিধ। চারাগাছ একটু বড় হলেই এর কিছু অংশ কেটে গরু-মহিষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কাঁশ দিয়ে গ্রামের বধূরা ঝাটা, ডালি, দোন তৈরি করে আর কৃষকরা ঘরের ছাউনি হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন। পদ্মার চর এলাকাসহ ফরিদপুরের কিছু নদী এলাকায় কাঁশবন দেখা মিলে। তখন মানুষ নিজের অজান্তে হারিয়ে যায়। অতীত হাতড়ে থাকে।সম্পাদনা : আরাফাত

  • সর্বশেষ