শিরোনাম
◈ অশ্লীল গালি বা কটু ভাষা ব্যবহার মানেই অশ্লীলতা নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ◈ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস কর‌লো মার্কিন সি-১৭ পরিবহন বিমান ◈ পার্লামেন্ট অভিমুখে ককরোচ পার্টির লং মার্চ, জনসমুদ্র দিল্লিতে (ভিডিও) ◈ কম দামে জনপ্রিয় ভারত থেকে আমদানি করা হলুদরঙা কাঁচা খেজুর মিসর-সৌদির নামে বিক্রি! ◈ ভুয়া করোনা রিপোর্ট কেলেঙ্কারির সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার ◈ দুবাই কারাগারে বেনজীর: বাংলাদেশে ফেরাতে রাজি, প্রত্যর্পণের আগে সরকারের কাছে চারটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি ◈ প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদমর্যাদার রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাশেদ খাঁন ◈ বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দিয়েও মঞ্চ ছাড়লেন না ট্রাম্প, বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফিফা সভাপতি ◈ শ্রম খাতে সংস্কার ও আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-আইএলও ◈ এনজোর লাল কার্ডই কি আর্জেন্টিনার হা‌রের কারণ? 

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহিউদ্দিন আহমেদ: বিষয়, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ’!

মহিউদ্দিন আহমেদ: একটি বিষয় আমি খুব আমোদ এবং উদ্বেগের সাথে লক্ষ করি, প্রায় সকল ইস্যুতে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এতো মারামারি কাটাকাটি সত্ত্বেও একটি বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রবল ঐক্যমত, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সম্প্রীতির উজ্জল উদাহরণ। আমাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা যখন তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবে আমাদের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারকে কেক হাতে শুভেচ্ছা জানাতে যান তখন আমাদের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার, তিনি যে দলেরই হন না কেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিÑ তিনি আলবৎ ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ’ বাক্যটি আওড়াবেনই, আওড়াবেন। আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা যারা প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের সাথে দেখা করতে গেছেন, তারা কোনো প্রতিবাদ না করেই সুবোধ বালক- বালিকার মতো বাক্যটি শুনে বেরিয়ে আসবেন। হতে পারে, মাত্র কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের কোথাও গুরুতর কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে গেছে, তারপরও প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের এতো কাছে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার পরও এই ধর্মীয় সংখ্যালঘু নেতাদের কোনো প্রতিবাদ নেই! বুঝলাম, ঠিক তখন প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের সামনে সরাসরি, মুখের উপর প্রতিবাদ শোভনীয় হবে না। কিন্তু ওখান থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করার জন্য তারা প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারে সাথে আর একটি ভিন্ন এপয়েন্টমেন্ট তো চাইতে পারেন। বাংলাদেশের জন্মের পর থেকেই এই ট্রেডিশন চলে আসছে।

কয়েক বছর ধরে ভারতে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলমানদের উপর বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে অত্যাচার, নির্যাতনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা এই দুই দেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, আক্রমন এবং বৈষম্যের নতুন যুক্তি খুঁজে পাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারে আমাদের তো মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্বের একটি মূল আদর্শ ছিল, আমাদের দেশটি একটি অসাম্প্রদায়িক, সেক্যুলার বাংলাদেশ হবে। আমাদের সেক্টর কমান্ডারদের একজন জেনারেল সি আর দত্ত বীর উত্তমের মৃত্যুতে এই বিষয়টা আজ বেশি বেশি মনে পড়ছে। মনে পড়ছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতি-ধর্ম- বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি, পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমরা মুক্তিযুদ্বের সেই আদর্শের বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছুটা দূরে সরে গেছি এবং মুক্তিযুদ্বের বাকি যা আছে সেখান থেকেও সরে যাওয়ার প্রসেসে দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়