শিরোনাম
◈ ‌লিগ কাপ থে‌কে বিদায় নি‌য়ে ৫০ বছর আগের দুঃসহ স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড ◈ তিন বছর পর আইপিএলের নিলাম ফিরছে ভারতে, ডিসেম্বরে হবে ক্রিকেটারদের কেনাবেচার প্রতিযোগিতা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশন: এবারও মাহমুদ আব্বাসকে ভিসা দিল না যুক্তরাষ্ট্র ◈ ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে ৪ হাজার টন ডিজেল এলো বাংলাদেশে ◈ র‍্যাব বদলে এসআরবি, সদস্যদের শাস্তির বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে যা আছে ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ‘শেষের দিকে’, তেহরানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের দাবি ট্রাম্পের ◈ গরম নিয়ে স্বস্তির বার্তা, ৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি ঝড়ের আভাস ◈ মার্কিন কংগ্রেসে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের মুখে ভারত ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে আগস্টে বাংলাদেশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ◈ বন্যায় নিহতদের উৎসর্গ করে বাংলাদেশ-নেপাল ‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি সিরিজ আগামী মা‌র্চে

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৫১ দুপুর
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ১১:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহিউদ্দিন আহমেদ: বিষয়, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ’!

মহিউদ্দিন আহমেদ: একটি বিষয় আমি খুব আমোদ এবং উদ্বেগের সাথে লক্ষ করি, প্রায় সকল ইস্যুতে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এতো মারামারি কাটাকাটি সত্ত্বেও একটি বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রবল ঐক্যমত, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সম্প্রীতির উজ্জল উদাহরণ। আমাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা যখন তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবে আমাদের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারকে কেক হাতে শুভেচ্ছা জানাতে যান তখন আমাদের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার, তিনি যে দলেরই হন না কেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিÑ তিনি আলবৎ ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ’ বাক্যটি আওড়াবেনই, আওড়াবেন। আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা যারা প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের সাথে দেখা করতে গেছেন, তারা কোনো প্রতিবাদ না করেই সুবোধ বালক- বালিকার মতো বাক্যটি শুনে বেরিয়ে আসবেন। হতে পারে, মাত্র কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের কোথাও গুরুতর কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঘটে গেছে, তারপরও প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের এতো কাছে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ার পরও এই ধর্মীয় সংখ্যালঘু নেতাদের কোনো প্রতিবাদ নেই! বুঝলাম, ঠিক তখন প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারের সামনে সরাসরি, মুখের উপর প্রতিবাদ শোভনীয় হবে না। কিন্তু ওখান থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ করার জন্য তারা প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টারে সাথে আর একটি ভিন্ন এপয়েন্টমেন্ট তো চাইতে পারেন। বাংলাদেশের জন্মের পর থেকেই এই ট্রেডিশন চলে আসছে।

কয়েক বছর ধরে ভারতে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে মুসলমানদের উপর বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে অত্যাচার, নির্যাতনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা এই দুই দেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, আক্রমন এবং বৈষম্যের নতুন যুক্তি খুঁজে পাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাপারে আমাদের তো মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্বের একটি মূল আদর্শ ছিল, আমাদের দেশটি একটি অসাম্প্রদায়িক, সেক্যুলার বাংলাদেশ হবে। আমাদের সেক্টর কমান্ডারদের একজন জেনারেল সি আর দত্ত বীর উত্তমের মৃত্যুতে এই বিষয়টা আজ বেশি বেশি মনে পড়ছে। মনে পড়ছে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাতি-ধর্ম- বর্ণ-গোত্র-লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি, পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমরা মুক্তিযুদ্বের সেই আদর্শের বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে বেশ কিছুটা দূরে সরে গেছি এবং মুক্তিযুদ্বের বাকি যা আছে সেখান থেকেও সরে যাওয়ার প্রসেসে দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ