প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে বিমান বাংলাদেশের চার পরিকল্পনা

লাইজুল ইসলাম : [২] কোভিডে কয়েক হাজার কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। উত্তরণে সংস্থাটি হাজার কোটি টাকা ঋণও নিয়েছে। যদিও পুরো টাকা ব্যাংক থেকে তোলেনি তারা।

[৩] সূত্র জানিয়েছে, ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হলেও ভবিষ্যতে যাতে এই ক্ষতি না বাড়ে সেজন্য বিবিধ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিগগিরই কানাডা থেকে আসছে তিনটি ড্যাশ-৮ মডেলের নতুন উড়োজাহাজ। এগুলো দিয়ে নতুন করে কিছু রুট উন্মোচন করা হবে। টরন্টো, টোকিও, গুয়াংজু ও চেন্নাই রুটে ডানা মেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান। এরসঙ্গে যাত্রী পরিবহনও বাড়ানো হবে।

[৪] বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোকাব্বির হোসেন জানান, অক্টোবরেই টরেন্টো ফ্লাইট চালু হবে। নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সূচি। যাত্রী সংকট থাকায় কোভিড-পরবর্তী সময়ে নতুন রুট চালুর সিদ্ধান্ত বুঝে শুনে নিতে হবে।

[৫] থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে দক্ষ জনবল নিয়োগের চিন্তা করছে সংস্থাটি। নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে বিমান। বিমানের চারটি পরিকল্পনার মধ্যে একটি স্ট্র্যাটেজিক হিউম্যান ক্যাপিটাল প্ল্যানিং প্রণয়ন করা। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, বিভিন্ন ট্রেড প্রশিক্ষণ প্রদান, যথাযথ পদায়ন, মূল্যায়ন, প্রণোদনার মাধ্যমে দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তোলা।

[৬] শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি হ্যাঙ্গার আছে বাংলাদেশ বিমানের। এটির সক্ষমতা বাড়ানো ও আরও একটি বিশ্বমানের হ্যাঙ্গার তৈরির পরিকল্পনাপত্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে সংস্থাটি। বর্তমান হ্যাঙ্গার দিয়ে অর্থ উপার্জন হচ্ছে। আরো একটি হলে লাভবান হবে সংস্থাটি। এর মাধ্যমে বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আইএসএজিও সনদ অর্জন ও উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণে ইএএসএ ১৪৫ সনদ অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে বিমান।

[৭] নতুন টার্মিনাল উদ্বোধন হলে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং। এজন্য প্রয়োজন হবে নতুন প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ। পুরো বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের কাজ পেলে বিশাল আয়ের একটি পথ উন্মোচিত হবে। এই কাজটি ধরে রাখতে এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত