প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ

মনিরুল ইসলাম: [২] ​মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদ ভবন চত্বরে আজ বৃক্ষের চারা রোপণ করেন একাদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, মোঃ তাজুল ইসলাম, হুইপ সামশুন হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, মোঃ মাহবুব আলী, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মোঃ মহিবুল হাসান চৌধুরী, পাবনা-৩ এর সংসদ-সদস্য মোঃ মকবুল হোসেন, সাতক্ষীরা-৩ এর সংসদ-সদস্য আ.ফ.ম. রূহুল হক, জামালপুর-৫ এর সংসদ-সদস্য মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন, -গাজীপুর-৪ এর সংসদ-সদস্য মেহের আফরোজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এর সংসদ-সদস্য বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন, রাঙ্গামাটি এর সংসদ-সদস্য দীপংকর তালুকদার, মহিলা আসন-১৬ এর সংসদ-সদস্য হোসনে আরা এবং মহিলা আসন-২৮ এর সংসদ-সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার।

[৩] ​স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, বৃক্ষ রোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপান্তরিত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশের মানুষকে আহবান করেছেন। সামাজিকভাবে সবাই যদি বৃক্ষ রোপণ করেন, বনায়ন করেন তাহলে আমাদের পরিবেশ ভাল থাকবে। আমরা সবাই জাগ্রতভাবে বসবাস করতে পারবো। সেকারণেই সবাইকে উৎসাহিত করার জন্য আমি নিজেও বৃক্ষ রোপণ করেছি।

[৪] ​জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবর্ষ পালন উলপক্ষে আমরা ২০২০ অতিক্রম করছি। এই আগষ্ট মাস আমাদের শোকের মাস। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ অনেকেই ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে হায়েনাদের হাতে শহীদ হয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা মুজিব শতবর্ষে জাতির পিতার কন্যার নেতৃত্বে এক কোটি ফলজ, বনজ ও ওষধি গাছের চারা রোপণ করার জন্য সারা বাংলাদেশে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আজকে শোকের মাস হলেও ভাল লাগছে যে, মুজিব জন্মশতবর্ষে আমি হুইপ হিসেবে একটি গাছের চারা রোপণ করতে পেরেছি। যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত স্মরণ করবে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে।

[৫] ​বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, মোঃ মাহবুব আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৬ জুলাই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সংসদ ভবন এলাকায় মাননীয় স্পীকার ও বৃক্ষ রোপণ করেছেন। বৃক্ষ রোপণ পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাথে সরাসরি জড়িত। বাংলাদেশ অপরূপ সৌন্দর্য্যরে অন্যতম লীলাভূমির দেশ। যেকোন পর্যটককে আকৃষ্ট করার জন্য বৃক্ষ রোপণ এবং বৃক্ষের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কক্সবাজারে ঝাউ গাছের চারা রোপণ করেছিলেন যা আমাদেরকে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে থাকে।

[৬] ​শিক্ষা উপমন্ত্রী মোঃ মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি জন্ম গ্রহণ না করলে আমাদের এই বাংলাদেশ হতো না, আজকের এই মহান জাতীয় সংসদ হতো না। তাই বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আমি আজকের এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছি এবং জাতির পিতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

[৭] ​মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৩৫০ থেকে ৫০০ টি বৃক্ষের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদ ভবন চত্বরে গত ২৬ জুলাই তারিখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। পর্যায়ক্রমে সকল সংসদ-সদস্যবৃন্দ সংসদ ভবন চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন মর্মে সিদ্ধান্ত রয়েছে।

[৮] ​উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী- ২০২০ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এ কার্যক্রম পরিচালিতি হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত