প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খোলা স্থানে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

সুজন কৈরী: কোভিড মহামারির সংক্রমন ও বিস্তার রোধে ৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খোলা স্থানে তাজিয়া মিছিল ও সমাবেশ করা যাবে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরুত্ব মেনে ইনডোরে ধর্মীয় অন্যান্য অনুষ্ঠান পালন করা যাবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

রোববার বেলা ১১টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আশুরা অনুষ্ঠান আয়োজকদের প্রতি আহবান জানিয়ে কমিশনার বলেন, কোভিডের বিস্তার রোধে সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। অনুষ্ঠান স্থলে মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দিবেন না। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে ইমামবাড়াগুলোতে সবাইকে একসাথে না ঢুকিয়ে খন্ড খন্ড দলে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অবস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

পবিত্র আশুরার বেদনা বিধুর ঘটনা স্মরণ করে কমিশনার বলেন, আমরা ধর্মীয়ভাবে উদার একটি সমাজ ও রাষ্ট্রে বসবাস করি।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে কোনো বিরোধ থাকলে শান্তিপূর্ণভাবে তা মীমাংশা করতে হবে। আশুরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। আপনাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা পাশে আছি।

এ সময় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ গোয়েন্দা সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি এবং লালবাগ, মিরপুর ও তেজগাঁও বিভাগের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ডিএমপি বেশি কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেগুলো হচ্ছে-পবিত্র আশুরা কেন্দ্রিক ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ।

পোশাকে ও সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যাক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড ও বোম ডিসোপজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হবে।

ইমামবাড়াসহ তার আশাপাশে সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।

মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ও ম্যানুয়ালি তল্লাশি করে আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে সকলকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে।

আয়োজক কমিটিকে পরিচয়পত্রসহ পর্যাপ্ত সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে।

 

কোভিড প্রতিরোধে ইমামবাড়া কেন্দ্রিক আয়োজক কমিটিকে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সেগুলো হলো-

প্রতিটি ইমামবাড়ার প্রবেশ ও বাহিরের পথ আলাদা করতে হবে।

ইমামবাড়ায় প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেসিন, পানির ট্যাংক, সাবান এবং পৃথকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা ও জীবাণুনাশক চেম্বার স্থাপনের ব্যবস্থা করা।

ইমামবাড়ার প্রবেশমুখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রসহ স্বেচ্ছাসেবক রাখা।

কোনোভাবেই মাস্ক ছাড়া কাউকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে না দেয়া।

ইমামবাড়ায় সামাজিক দূরত্ব কমপক্ষে ৩ ফুট কঠোরভাবে বজায় রাখা।

কোভিড উপসর্গ নিয়ে কাউকে ইমামবাড়ায় প্রবেশ করতে না দেয়া।

কোভিডের বিশেষ পরিস্থিতিতে শিশু ও ষাটোর্ধ্ব এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের ইমামবাড়ায় প্রবেশে নিরুৎসাহিত করা।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত