প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রোগীর পেটে গজ-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই: প্রাইভেট হাসপাতালের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা প্রতিনিধি: [২] রোববার (৯ আগস্ট) কুমিল্লার আদালতে মামলাটি করেন রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছে।

[৩] মামলায় ওই হসপিটালের ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ও ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিবকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে রোগীর ভাই ও মামলার বাদী তানজিদ সাফি অন্তর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

[৪] মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল রাতে বরুড়া পৌর এলাকার বরুড়া গ্রামের কাশেম শফি উল্লার (কাজল) মেয়ের পেটে প্রচণ্ড ব্যথা ওঠে। ওই দিন রাতে স্বজনরা তাকে বরুড়ার ফেয়ার হসপিটালে ভর্তি করেন। পরে ১৩ এপ্রিল ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে ডা. মো. রাশেদ-উজ-জামান রাজিব অপারেশন করেন। এ সময় পেটে গজ রেখে সেলাই সম্পন্ন করেন ডা. রাজিব। পরে রোগীর পেটে ব্যথা অনুভব হয়। ব্যথা কমাতে ডা. ইকবাল হাই পাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দেন।

[৫] এভাবে তিন মাস চলার পরেও রোগীর ব্যথা কমেনি। পরে রোগীর ভাই তানজিদ সাফি অন্তর তার বোনকে আলট্রাসনোগ্রাফি করান। পেটে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন। ১৮ জুলাই কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. আজিজ উল্লাহ ও ডা. মাহমুদ রোগীকে অপারেশন করেন। রোগীর পেট থেকে পুঁজ বের হয়।

[৬] তানজীদ সাফি অন্তর বলেন, ডা. ইকবাল ও রাজিব আমার বোনের সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই অপারেশন করেন। পরে পেটে গজ রেখেই সেলাই করেন। আবার ব্যথা হলে হাই পাওয়ারের অ্যান্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রাইব করেন। তিন মাস এমন হাই পাওয়ারের ওষুধে আমার বোনের অবস্থা আরও খারাপ হয়। সঠিক বিচার চাই। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।

[৭] অভিযোগের বিষয়ে ডা. মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন জানান, অপারেশনের দিন তিনি ছিলেন না। রোগী যেদিন হসপিটাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি গেছেন সেদিনও তিনি হসপিটালে ছিলেন না। তবে তিনি রোগীকে ওষুধ দিয়েছেন। রোগীর অপারেশন করেছেন ডা. রাজিব। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত