শিরোনাম
◈ রেকর্ড দল ও প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ফিরে দেখা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাস ◈ আরব আমিরাতের ক্লাবে নাম লেখালেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার জায়ান ◈ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক অন্য কোনো শক্তিতে প্রভাবিত হবে না: চীনা দূতাবাস ◈ বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র জয়পুরহাট (ভিডিও) ◈ নির্বাচনে অনিয়ম বিতর্ক ও অভিযোগ আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধান করা হবে: সিইসি ◈ ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানকে সমর্থন, সরে দাঁড়ালেন ৫ প্রার্থী ◈ নির্বাচনে যেসব ইস্যু গুরুত্ব পাচ্ছে ◈ ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল দু'জনের, আহত ২০ ◈ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশ কি তারেক রহমানকেই খুঁজছে? ◈ জামায়াতের আমিরের সাথে কেনো সবাই দেখা করতে চায়: আল জাজিরা পর্যবেক্ষণ

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪৪ রাত
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২০, ০৩:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফেসবুকে না লেখার শর্তে ছাড়া পান আশরাফ মাহাদী

ডেস্ক রিপোর্ট : ফেসবুকে লিখবেন না এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন আশরাফ মাহাদী। তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক আমিনীর নাতি। গত ৬ জুলাই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি। ঠিক যেখান থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, অপহরণকারীরা দুদিন পর সেখানেই তাঁকে ফেলে যায়। এসব কথা জানিয়েছেন আশরাফ মাহাদীর বাবা জসিমউদ্দিন। প্রথম আলো

আশরাফ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাঁর বাবা মাওলানা জসিম উদ্দিন লালবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। গতকাল রোববার রাতে তাঁর বাবা মাওলানা জসিমউদ্দীন বলেন, তাঁর ছেলে মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত ২৫ জুলাই আশরাফ মিশরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে। বাংলাদেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দুবাই থেকে তাঁকে ফিরিয়ে আনে। তাঁর ছেলের নামে দলেরই আরেকটি ছেলে মামলা করেছিল। সেই মামলায় তাঁকে চট্টগ্রামের একটি আদালতে উপস্থাপন করা হয় গত ২৮ জুলাই। ওই দিনই আদালত তাঁকে জামিন দেন। ওই মামলায় আসামি ছিলেন নয়জন। তাঁদের মধ্যে শুধুমাত্র আশরাফকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানায় করা মামলায় ওসমান কাসেমি বলেন, আসামিরা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আহমদ শফিসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারসহ জোর করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। বিভিন্ন সময়ে তাঁরা এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল। ১৮ জুলাই ফোন করে অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১০-১২ জন তাঁর ওপর হামলা করেন। তাঁর কাছ থেকে টাকা ও মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেয়।

আশরাফ মাহাদীর বাবা মাওলানা জসিমউদ্দীন মনে করেন, যাদের হস্তক্ষেপে আশরাফ মাহাদীকে দুবাই থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাঁরাই তাঁর ছেলেকে অপহরণ করেছিলেন। গত ৬ জুলাই রাতে তিনি লালবাগে তাঁর নানীর সঙ্গে দেখা করে রিকশায় ফিরছিলেন। রাত ১১ টা ২৭ মিনিটে তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেন তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তাঁর কিছু হলে দায়ী হবেন ফয়জুল্লাহ-আলতাফ গং। তারপর তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় আশরাফের অবস্থান ছিল মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে। ৮ জুলাই বেড়িবাঁধের কাছেই অপহরণকারীরা তাঁকে ফেলে রেখে যায়। একটি মুঠোফোনের দোকান থেকে তিনি যোগাযোগ করলে জসিমউদ্দীন গিয়ে তাঁকে নিয়ে আসেন। সকালে তাঁরা পুলিশের সঙ্গে দেখা করেন।

জসিমউদ্দীন আরও বলেন, দুদিনের অজ্ঞাতবাসে অপহরণকারীরা আশরাফের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করেছেন যে তিনি আর ফেসবুকে লেখালেখি করবেন না। লেখালেখির সূত্র ধরে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের একটি অংশের সঙ্গে বাহাস চলছিল আশরাফের।

এ বিষয়ে জানতে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কেন তাঁকে আশরাফ মাহাদী দায়ী করেছেন তিনি বুঝতে পারছেন না।

লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কে এম আশরাফ হোসেন বলেন, আশরাফ মাহাদী ফেরত এসেছেন এটুকুই তাঁরা জেনেছেন। কেন অপহরণ করা হয়েছে জানেন না।

আশরাফের বাবা জসিমউদ্দীন বলেছেন, ছেলে গিয়েছে, ফেরত এসেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়