শিরোনাম
◈ এয়ারপোর্ট ও বুর্জ খলিফা টাওয়ার ধ্বংসের ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল ◈ জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা ◈ চলছে তালিকা তৈরির কাজ, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথ অভিযান ◈ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন: থামাতে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বিশ্ব শক্তির ◈ খামেনির ছেলেকে পছন্দ নয়, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চান ট্রাম্প ◈ দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পরিকল্পনায় ইবি শিক্ষিকা খুন—স্বামীর মামলায় ৪ আসামি ◈ স্কুল-কলেজের জন্য আসছে র‍্যাংকিং সিস্টেম: শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুই ইস্যুতে বাংলাদেশের আশ্বাস চাইল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে নির্বাচন ইস্যু জুড়ে বিভ্রান্তি: রিজওয়ানা ◈ গ্রাহকদের প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৭ নির্দেশনা বিদ্যুৎ বিভাগের

প্রকাশিত : ০৯ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ০৯ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডা. আরমান রহমান: বাংলাদেশে কোভিড সংক্রমণ কেন কমছে না

ডা. আরমান রহমান: পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে এসেছে তা হয়েছে শুধু কঠোর লকডাউন মেনে। এই লক ডাউন শিথিল করার সাথে সাথেই সেই সমস্ত দেশে সংক্রমণ আবার বেড়ে গিয়েছে। যেমন আয়ারল্যান্ড। গত তিন মাসের কঠোর লক ডাউন শিথিল করার কিছুদিন পরেই তিনটি শহরে সংক্রমণের হার, হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ারে ভর্তি হওয়া এবং মৃত্যু হার, তিনটিই বেড়ে গিয়েছে, আজকে থেকে সেই তিনটি শহরকে কার্যত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘেরাও করে রেখেছে, অপ্রয়োজনে কাউরে এসব শহর থেকে বের হতে দিচ্ছে না। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ একা কমে যেতে পারে কয়েকটা কারণে। [১] যদি ভাইরাসটি মিউটেশনের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। [২] যখন বেশিরভাগ মানুষের ইনফেকশন হয়ে ইমিউনিটি তৈরি হয়ে যায়। [৩] যখন ভ্যাকসিন দেওয়া হয়ে যাবে।

এর কোনটাই যেহেতু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্যে প্রযোজ্য নয়, কাজেই একা একা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাবে এইরকম আশা যারা করছেন তারা বিজ্ঞানমনস্ক নন. মৃত্যু হার কমেছে কারণ বাংলাদেশে অব্যবস্থার মধ্যেও এখন একধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু হয়েছে, অনেক রোগীরা আগে ভাগেই হাসপাতালে গিয়ে (অথবা না গিয়ে) অক্সিজেন সরবরাহ সহ অন্যান্য চিকিৎসা নিচ্ছেন, প্রথম দিকে যেটা পেতেন না, এক্ষেত্রে পালস অক্সিমিটার বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্যে সবচেয়ে উপযোগী টেস্ট টুল হিসেবে আবিভূত হয়েছে। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেলেই তারা হাসপাতালে যেয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাংলাদেশে যেহেতু ভাইরাস সংক্রমণের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই, পিসিআর টেস্ট হচ্ছে অপ্রতুল এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুল, কাজেই কোনো ধরনের ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচি-ই হবে অন্ধকারে ঢিল ছোড়ার মতন।

বাংলাদেশের মানুষ যতোদিন সচেতন না হবে ততোদিন করোনাভাইরাসের ইনফেকশন সমাজে চলতেই থাকবে। হয়তো ভ্যাকসিন এসে গেলে এবং দেশের সবার মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পারলে তবেই মিলবে মুক্তি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়