শিরোনাম
◈ একপাক্ষিক নির্বাচনের শঙ্কা জামায়াত- এনসিপির, কী বলছে ইসি? ◈ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা: সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল (ভিডিও) ◈ এলপিজি নিয়ে সংকট: বৃহস্পতিবার থেকে বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি ব্যবসায়ী সমিতির ◈ জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয় ◈ বি‌পিএল, সিলেট টাইটান্স‌কে হারিয়ে আবার শী‌র্ষে চট্টগ্রাম রয়‌্যালস ◈ ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার যা করেছেন, চাইলে বাংলাদেশেও করুন, কিন্তু খেলোয়াড় কেন: জম্মু–কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ◈ এবার লিটন দাসের চুক্তিও বাতিল করল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান! ◈ বড় বাজারে অর্ডার কম, নতুন বাজারেও ধাক্কা: পোশাক রফতানিতে চ্যালেঞ্জ ◈ এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত রেলকে লাইনে ফেরানোর চেষ্টা: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ ◈ রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৪২ সকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২০, ০৯:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বড়লেখায় ট্রিপল মার্ডার মামলার আরও ২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

স্বপন দেব : [২] মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরা হলেন মামলার এজাহারভুক্ত ১ নং আসামি শরাফত আলী ও ২ নং আসামি মারফত আলী। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তাদের গ্রেফতার করে বড়লেখা আদালতে সোপর্দ করা হয়।

[৩] মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র মৌলভীবাজার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাস মামলার মূলরহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বড়লেখা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হরিদাস কুমার দুই আসামির ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে সিআইডি।

[৪] উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ভোলারকান্দি গ্রাম থেকে কাতার প্রবাসী আকামত আলীর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৬), মেয়ে লাবণী বেগম (৭) ও ছেলে ফারুক আহমদের (৪) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
[৫] এ ঘটনায় নিহত গৃহবধু মাজেদার চাচাতো ভাই ইমরান আলী ২১ ডিসেম্বর রাতে বড়লেখা থানায় মামলা করেন (নম্বর-৮)। এতে মাজেদা বেগমের চাচা শ্বশুর শরাফত আলীকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করেন।

[৬] মামলার পর ওই বাড়ির তিন নারীকে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মা-সন্তানসহ তিনজনের মৃত্যু ঘিরে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়। তবে এটি পরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী ধারণা করছিলেন। অথচ মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি থানা পুলিশ। কয়েক মাস পর মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ স্থানান্তর হয়।

[৭] পিবিআই’র তদন্ত কর্মকর্তা করে প্রায় বছর খানেক পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে আদালত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন গ্রহণ না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়