শিরোনাম
◈ মির্জা আব্বাসসহ ৫ জন সংসদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত ◈ সংসদে সাউন্ড সিস্টেমে বিপর্যয়, অধিবেশন ২০ মিনিট বিরতি ◈ সংসদ যেন কোনো ব্যক্তির চরিত্র হননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়: ডাঃ শফিকুর ◈ রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১৩ ◈ সংসদের কোরাম, ওয়াক আউট, এক্সপাঞ্জের মানে কী? ◈ বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে হে‌রে যাওয়ায় পাকিস্তানের ক্রিকেট নিয়ে ‌মোহম্মদ আমিরের শঙ্কা ◈ তা‌মিম ইকবাল যে যোগ্যতায় বিসিবি সভাপতি হতে চান ◈ আ. লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল : রাষ্ট্রপতি ◈ সংসদে নজীরবিহীন হট্টগোল, প্ল্যাকার্ড-গেট, গেট গেটআউট স্লোগানে রাষ্ট্রপতিকে ‘ধিক্কার’ ◈ জুলাই না হলে ফাঁসির সেল থেকে সংসদে আসতে পারতাম না: আজহার

প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৩২ সকাল
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২০, ০৭:৩২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাফর ওয়াজেদ: একাত্তরের গণহত্যা সেল কোথায় গেলো

জাফর ওয়াজেদ: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকার দেশজুড়ে দখলদার পাকিস্তানী হানাদার ও রাজাকারদের অব্যাহত গণহত্যার তালিকা প্রণয়নের জন্য জুন মাসে "গণহত্যা সেল"গঠন করে। কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।প্রাথমিকভাবে দায়িত্বে ছিলেন মওদুদ আহমদ। পরে রাষ্ট্রদূত মি: ফাতেহ এবং মোমেন সাহেব দায়িত্ব নেন । প্রতিটি অন্চলের(zone-এর) কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ ছিলৌ তারা যেন তথ্য সংগ্রহ করেন। সাক্ষীসাবুদ প্রস্তুত রাখেন পরবর্তীকালে আদালতে ব্যবহারের জন্য। দেশের ভেতরে এবং বিভিন্ন ক্যাম্পে ঘুরে-ঘুরে
প্রচুর তথ্য,সাক্ষী সংগ্রহ করা হয়। ১৬ডিসেম্বরের পর এইসব তথ্যর ভিত্তিতে মামলা চালু করা হয়। ১৯৭৫এর পর ক্রমে এসব তথ্যাদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
থেকে গায়েব হয়ে যায়। সেলের সংগে জড়িতরাও এ বিষয়ে কোন লেখা নামান নি। ফলে কাজের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ্য হয় নি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়