শিরোনাম
◈ ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি মর্গেই ১৮২ মরদেহ, ভিডিও ভাইরাল ◈ নির্বাচনে চাপমুক্ত দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা চায় পুলিশ: ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা ◈ বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপে বিএনপি, সামাল দিতে না পারলে হিতে বিপরীত হতে পারে  ◈ আমার সব সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছে, ডিভোর্সের পর প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে বিস্ফোরক বক্সার মেরি কম ◈ বাংলাদেশি আম্পায়ার ভারতে আসতে পারলে বাংলাদেশ দল কেন বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না: ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর দা‌বি ◈ ফুটবলে দর্শককে লাল কার্ড দেখি‌য়ে নজীরবিহীন ঘটনার জম্ম দি‌লেন রেফা‌রি ◈ মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত ইরান ত্যাগের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ◈ নিউইয়র্ক সিটিতে বিক্ষোভ: পাশে দাঁড়ালেন মামদানি ◈ বার্সার কাছে হারের পর জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করল রিয়াল মাদ্রিদ ◈ অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ: ৫ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্লক করল মেটা

প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২০, ০৪:৫৭ সকাল
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২০, ০৪:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘গোরস্তানে’ হাজার হাজার বিমান

সালেহ্ বিপ্লব: কোভিডের কারণে বিধি-নিষেধের কারণে ফ্লাইটের চাহিদায় ধস নেমেছে। বাণিজ্যিক এয়ারলাইনগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কোন কোন এয়ারলাইন তাদের অনেক উড়োজাহাজ বিশ্বের একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায় উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে সেখানে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বসিয়ে রেখেছে। বিবিসি বাংলা

গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় এয়ারলাইন্স কোয়ান্টাস তাদের সর্বশেষ বোয়িং ৭৪৭ বিমানটিকেও সিডনি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মোহাভি মরুভূমিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। এই বিমানটি আকাশে উড়ছিলো প্রায় অর্ধ শতাব্দীকাল ধরে আর এতে চড়েছে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ। এই যাত্রীদের মধ্যে রয়েছে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ থেকে শুরু করে ১৯৮৪ সালের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক টিমের সকল সদস্য।

কোয়ান্টাস তাদের এ-৩৮০ সুপার জাম্বো বিমানগুলোকেও অন্তত ২০২৩ সাল পর্যন্ত মোহাভি মরুভূমিতে ফেলে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা ঘোষণা করেছে। উড়োজাহাজ রাখার জন্যেও যথেষ্ট জায়গা না থাকায় কোন কোন কোম্পানি বেছে নিয়েছে শুস্ক মরুভূমির মতো প্রত্যন্ত এলাকাকে।

এরকম জায়গাকে বলা হয় ‘এয়ারলাইনের গোরস্তান’ বা বোনইয়ার্ড। এখানে বিমানগুলোকে লম্বা সময়ের জন্যে পার্ক করে রাখা হয় অথবা বসিয়ে রাখা হয়। পরে এগুলোকে আবার সার্ভিসে ফিরিয়ে আনা হয় অথবা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে সেসব পার্টস বিক্রি করা হয়।

বাণিজ্যিক এয়ালাইনগুলো তাদের উড়োজাহাজ বসিয়ে রাখার জন্য এধরনের জায়গা খুঁজে থাকে। কারণ বিমানবন্দরের তুলনায় এসব জায়গায় বিমান রাখার খরচ অনেক কম। এসব জায়গায় দীর্ঘ সময়ের জন্য বিমান পার্ক করে রাখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে একটি বিমান কোথাও বসিয়ে রাখতে মাসিক খরচ পড়ে পাঁচ হাজার ডলারের মতো।

ফ্লাইট সংক্রান্ত ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪ এর ইয়ান পেটচেনিক জানান, বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত এরকম কিছু জনপ্রিয় পার্কিং স্থাপনা যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও অস্ট্রেলিয়ায় মরুভূমির মতো বিস্তৃত এলাকায় অবস্থিত। উদাহরণ হিসেবে মধ্য অস্ট্রেলিয়ার অ্যালিস স্প্রিংস এবং ক্যালিফোর্নিয়ার পূর্বাঞ্চলে মোহাভি মরুভূমির কথা উল্লেখ করা যেতে পারে।

এছাড়াও এরকম সুপরিচিত আরো কিছু জায়গার মধ্যে রয়েছে অ্যারিজোনার মারানা এবং নিউ মেক্সিকোর রসওয়েল।

ইয়ান পেটচেনিক বলেন, “মরুভূমিতে দুটো প্রধান জিনিস পাওয়া যায়: প্রথমত উন্মুক্ত বিশাল সমতল এলাকা। দ্বিতীয়ত সেখানকার আবহাওয়া এরকম যে বিমানের ধাতব অংশগুলো সহজে ক্ষয় হয় না।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়