শিরোনাম
◈ ভোররাতে ৫.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট ◈ সীমান্তে ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধার মুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ ফেলে পালাল বিএসএফ ◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয় ◈ মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৮৪২, বাতিল ৭২৩ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত পরিবর্তনে কূটনৈতিক উদ্যোগে মার খাচ্ছে ভারত ◈ গুমের পেছনে মূলত ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন ◈ দিল্লিতে বসে থাকা ‘বোন’ শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান: মোদিকে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:৪০ সকাল
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কোরবানির চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় নওগাঁর ব্যবসায়ীরা

এবাদুল হক : [২] নওগাঁর চামড়া ব্যবসায়ী সাদিক হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে বেশ সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন তিনি। তবে তিন বছর ধরে কয়েকটি ট্যানারিতে তার ৩৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আটকে আছে। দীর্ঘদিন ধরে তাগাদা দিয়েও পাওনা টাকা আদায় করতে পারছেন না তিনি। ব্যবসায়িক পুঁজির একটা বড় অংশ আটকে পড়ায় এখন দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

[৩] সাদিকের মতো একই অবস্থা আরেক চামড়া ব্যবসায়ী ফরিদ আকতারের। নাটোরের এক চামড়ার আড়তদারের কাছে ২০ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে তার, যা তাগাদা দিয়েও ফেরত পাচ্ছেন না তিনি। এতে আসন্ন কোরবানির ঈদে চামড়া কেনা নিয়ে বিপাকে পড়তে হতে পারে।

[৪] কেবল সাদিক হোসেন ও ফরিদ আকতার নন, ট্যানারি মালিকদের কাছে নওগাঁর অধিকাংশ চামড়া ব্যবসায়ীর দীর্ঘদিনের টাকা আটকে আছে। ফলে আসন্ন কোরবানির ঈদের চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় আছেন জেলার চামড়া ব্যবসায়ীরা। ট্যানারি মালিকদের কাছে পাওনা টাকা দ্রুত ফেরত পেতে তারা সরকারের সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে জেলা পর্যায়ের প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।

[৫] জেলার চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদুল আজহায় নওগাঁয় ৮০ হাজারের বেশি গবাদিপশু কোরবানি দেয়া হয়। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার গরু ও বাকি ৪৫ থেকে ৫০ হাজার অন্যান্য গবাদিপশু। আর জেলায় প্রতি বছরের কোরবানি মৌসুমে প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার চামড়া কিনে নেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। জেলার মূল চামড়া ব্যবসায়ী সদস্য সংখ্যা ২২১। এসব সদস্য ছাড়াও ১৫০ জনের মতো নানান ফড়িয়া ও মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আছেন। তবে এসব চামড়া ব্যবসায়ীর প্রায় সবাই এখন মূলধন হারিয়ে অভাবে দিনাতিপাত করছেন। ট্যানারি মালিকদের কাছে টাকার তাগাদা দিয়েও পাচ্ছেন না তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়