শিরোনাম
◈ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: যুদ্ধ নয়, সংঘাত সমাধানে চাই আলোচনা ও কূটনীতি ◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২২ জুলাই, ২০২০, ০৬:৩৮ সকাল
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২০, ০৬:৩৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এবারের বন্যা ১৯৮৮ সালের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার শঙ্কা বেশি

দেবদুলাল মুন্না:[২] গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ)-এর পক্ষ থেকে এমন আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে বলা হয়, আগস্ট মাসের আগেই পানি কমতে শুরু করবে, এমন সম্ভাবনা কম। তবে বন্যার সময়কাল ১৯৮৮ সালের চেয়ে বেশি হলেও মৃত্য সংখ্যা অনেক বেশি কম থাকবে। কারণ আশ্রয়শিবির আগের চেয়ে উন্নতও ও মানুষ সচেতন হয়েছে। এশিয়ান মনিটর

[৩] ওসিএইচএ জানায়, বন্যায় এ পর্যন্ত দেশের ১৮টি জেলায় ২৪ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়ে সরকারি আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে ৫৬ হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫৪ জনের। প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বাড়িঘর ডুবে গেছে।

[৪] ১৯৮৮ সালে ভয়ঙ্কর বন্যার ফলে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বন্যার কারণে সর্বমোট ৫,৭০৮ জন মারা যায়। অধিকাংশ মৃত্যু ঘটে প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে, বাড়ি ভেঙ্গে পড়ে এবং আক্রান্ত অঞ্চলের বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে তড়িতাহত হয়ে। উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে প্রচুর অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বাংলাদেশের প্রায় ৭০% ফসল নষ্ট হয়ে যায়, যার পরিমাণ প্রায় ২২০,০০০ টন।

[৫] ওসিএইচএ জানায়, সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য সম্প্রতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে প্রাথমিকভাবে ৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারের তহবিল দিয়েছে ইউএন সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স ফান্ড।

  • সর্বশেষ