শিরোনাম
◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ২২ জুলাই, ২০২০, ০৬:৩৮ সকাল
আপডেট : ২২ জুলাই, ২০২০, ০৬:৩৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এবারের বন্যা ১৯৮৮ সালের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার শঙ্কা বেশি

দেবদুলাল মুন্না:[২] গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ)-এর পক্ষ থেকে এমন আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে বলা হয়, আগস্ট মাসের আগেই পানি কমতে শুরু করবে, এমন সম্ভাবনা কম। তবে বন্যার সময়কাল ১৯৮৮ সালের চেয়ে বেশি হলেও মৃত্য সংখ্যা অনেক বেশি কম থাকবে। কারণ আশ্রয়শিবির আগের চেয়ে উন্নতও ও মানুষ সচেতন হয়েছে। এশিয়ান মনিটর

[৩] ওসিএইচএ জানায়, বন্যায় এ পর্যন্ত দেশের ১৮টি জেলায় ২৪ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়ে সরকারি আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে ৫৬ হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫৪ জনের। প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বাড়িঘর ডুবে গেছে।

[৪] ১৯৮৮ সালে ভয়ঙ্কর বন্যার ফলে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বন্যার কারণে সর্বমোট ৫,৭০৮ জন মারা যায়। অধিকাংশ মৃত্যু ঘটে প্রচণ্ড ঝড়ের কারণে, বাড়ি ভেঙ্গে পড়ে এবং আক্রান্ত অঞ্চলের বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে তড়িতাহত হয়ে। উপকূলবর্তী এলাকায় প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ে প্রচুর অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বাংলাদেশের প্রায় ৭০% ফসল নষ্ট হয়ে যায়, যার পরিমাণ প্রায় ২২০,০০০ টন।

[৫] ওসিএইচএ জানায়, সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য সম্প্রতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে প্রাথমিকভাবে ৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারের তহবিল দিয়েছে ইউএন সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স ফান্ড।

  • সর্বশেষ