প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চিড়িয়াখানার নৈসর্গিক সৌন্দর্য

ডেস্ক রিপোর্ট: নৈসর্গিক সেলফি প্লাজা রাজধানীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র জাতীয় চিড়িয়াখানার নতুন আকর্ষণ। এটি চিড়িয়াখানার উত্তরের লেকের দুই স্থানে দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে তৈরি করা হয়েছে। আগত যে কেউ প্রথম দেখায় চোখে পড়বে সবুজ গাছ-গাছালির নয়নাভিরাম দৃশ্য। এ প্লাজার চারপাশে লেকের অথৈ জলরাশি দেখে সবাই মুগ্ধ হবেন। এছাড়া জলের ছলাৎ ছলাৎ শব্দ ঢেউয়ে প্রতিফলিত হয়ে সূর্যের আলো আগত দর্শনার্থীদের চোখে পড়বে। সেই জলরাশির কাছে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে মোহনীয় দৃশ্য। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এ আধুনিক নির্মাণশৈলীর নাম দিয়েছেন সেলফি প্লাজা। গতকাল চিড়িয়াখানা এলাকা সরেজমিন ঘুরে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, করোনা সংক্রমণের কারণে রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্র থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে এ প্লাজায় প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত ভ্রমণপিপাসুর ঢল নামবে। ছোট-বড় সবাই একটু অবসর বিনোদনের স্বাদ নিতে ছুটে আসবেন এ স্থানে। এক একটি প্লাজার ওপরে একসঙ্গে দেড়শতাধিক দর্শনার্থী দাঁড়াতে পারবেন। এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যাবে। আরও উপভোগ করা যাবে অগণিত পাখির কিচিরমিচির শব্দ।

সেখানে গেলে দেখা মিলবে চকচকে পরিষ্কার আর লাল-সবুজ রঙে আঁকা পরিবেশ। এখানে দাঁড়িয়ে আগত যে কেউ প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নিতে পারবেন। একটু দূর থেকে এ স্থানটি দেখলে মনে হবে জাহাজ। প্লাজার ওপর দাঁড়ালেই বাতাস যেন শিহরণ জাগাবে আগত সবার দেহে ও মনে। কানে ভেসে আসে ঢেউয়ের ছলাৎ ছলাৎ ধ্বনি। তাই পর্যটকদের কাছে এখন নতুন আকর্ষণ হবে এই প্লাজা। এখানে এলে সবার রীতিমতো সেলফি তোলার ধুম পড়ে যাবে। চিড়িয়াখানার ভিতরের সড়ক সংস্কার ও বিভিন্ন কালভার্টে রং দেওয়ার পর জায়গাটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এসব কারণে এটি এখন দর্শনীয় স্থান। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার নানা বয়সী মানুষ সময় কাটাতে এখানে আসবেন এমনটাই ধারণা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের। বিশ্বমানে উন্নীতকরণের অংশ হিসেবে নতুন এই স্থানটি পর্যটকদের নির্মল আনন্দ দিতে সক্ষম হবে। ইতিমধ্যে চিড়িয়াখানার উদ্যোগে কয়েকশ গাছ রোপণ করা হয়েছে। লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। নতুন করে রং দেওয়া শেষ হয়েছে। এ স্থানের এক কিলোমিটার জায়গায় পর্যটকদের বসার জন্য বেঞ্চ তৈরির কাজও শুরু হয়েছে।

চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. নুরুল ইসলাম বলেন, দুই লেকে লাল শাপলা লাগানো হবে। সারা দেশের মানুষ এখানে ছুটে আসবে এমন পরিবেশ তৈরির কাজ শুরু করেছি। অনেকের মতে, সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় এ দৃশ্য। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিদিন বাড়বে ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়। ঘাটে দাঁড়িয়ে উত্তর, পূর্ব বা দক্ষিণের যে কোনো দিকে তাকালে চোখে পড়বে নদীর মতো বিশাল লেক। সেখানে ধারণা পাওয়া যাবে, বর্ষায় প্রকৃতির। নবনির্মিত এ নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখা যায় দিনের আলোয়। পূর্ণিমা রাতে গেলে ফিরে আসতে মন চাইবে না।বাংলাদেশ প্রতিদিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত