শিরোনাম
◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ ◈ চসিক মেয়রের হস্তক্ষেপে গ্রেফতার এড়ালেন শীর্ষ সন্ত্রাসী বগা, পুলিশের অভিযান ব্যর্থ ◈ ৭৫ কোটি টাকায় বদলে যাবে ধানমন্ডি লেক, হবে ‘নজরুল সরোবর’ ◈ ৩০ গ্রামের ৫ লাখ নারী বদলে দিচ্ছেন গ্রামীণ অর্থনীতি, বছরে আসে ৫০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ◈ তালাকের আগেই দেনমোহর চাইতে পারবেন স্ত্রী: হাইকোর্ট ◈ ৫ বছরে ১ কোটি কর্মী পাঠাতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ প্রবাসীদের জন্য বড় সুখবর, নতুন ভিসা সুবিধা চালু করল সৌদি আরব

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মির্জাগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎতের অভিযোগ

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ¯িøপের অর্থ আত্মসাৎ ও মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই অভিযোগ পাওয়া যায় উপজেলার (এস এম সি) ১০ নং বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীনের বিরুদ্ধে।

[৩] এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি হাজী মো. লতিফ মোল্লা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। অভিযোগে ভিত্তিত্বে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষ অফিস অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদ জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

[৪] অভিযোগে বলা হয়, বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীন ওই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীতি করে আসছেন। তিনি ২০১৮/১৯ অর্থ বছরের ¯িøপের ৫০ হাজার, রুটিন মেনটিসের ৪০ হাজার, প্রাক-প্রাথমিকের ১০ হাজার, এবং দূর্যোগ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কোন কাজ করেনি। এ বিষয়ে তার কাছে হিসেব চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে এবং মনগড়া হিসেবে দেয়।

[৫] এছাড়াও কারো সাথে কোন আলোচনা করে বিদ্যালের বিভিন্ন পুরাতন আসবাবপত্র বিক্রি করে ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. লতিফ মোল্লা বলেন, গত অর্থ বছরে বিদ্যারয়ে সরকারি ভাবে যে পরিমানে টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা ভূয়া ভাউচার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

[৬] উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : সাদেক আলী

  • সর্বশেষ