শিরোনাম
◈ সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ ব্যাংক-ভূমিসেবা, ওয়ারফেয়ারের জন্য কোটি টাকা ব্যয়েও প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ ◈ বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া ডলারের ১৫ শতাংশ রাখতে পারবে হোটেল-রেস্তোরাঁ ◈ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে অনুমোদন পেল নতুন ৪ পাঠ্যবই ◈ শাদাবের সেঞ্চুরি, শেষ উইকেটে রেকর্ড গড়ে পাকিস্তানের জয় ◈ চার দিনের সফরে জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও ঋণ কমানোর আলোচনা ◈ সংসদের উচ্চকক্ষে ১০৫ আসন বণ্টনে নতুন প্রস্তাব, ৫ সদস্য মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি ◈ জমির দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন ৫ উপায় ◈ ঘরে বসেই মোবাইলে জমির মালিকানা যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন পদ্ধতি ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নিয়ম, বাড়ছে পর্যটক সংখ্যা, তুলে নেওয়া হলো রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা ◈ ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ডকে বদলি করেন বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মির্জাগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎতের অভিযোগ

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ¯িøপের অর্থ আত্মসাৎ ও মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই অভিযোগ পাওয়া যায় উপজেলার (এস এম সি) ১০ নং বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীনের বিরুদ্ধে।

[৩] এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি হাজী মো. লতিফ মোল্লা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। অভিযোগে ভিত্তিত্বে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষ অফিস অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদ জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

[৪] অভিযোগে বলা হয়, বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীন ওই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীতি করে আসছেন। তিনি ২০১৮/১৯ অর্থ বছরের ¯িøপের ৫০ হাজার, রুটিন মেনটিসের ৪০ হাজার, প্রাক-প্রাথমিকের ১০ হাজার, এবং দূর্যোগ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কোন কাজ করেনি। এ বিষয়ে তার কাছে হিসেব চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে এবং মনগড়া হিসেবে দেয়।

[৫] এছাড়াও কারো সাথে কোন আলোচনা করে বিদ্যালের বিভিন্ন পুরাতন আসবাবপত্র বিক্রি করে ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. লতিফ মোল্লা বলেন, গত অর্থ বছরে বিদ্যারয়ে সরকারি ভাবে যে পরিমানে টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা ভূয়া ভাউচার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

[৬] উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : সাদেক আলী

  • সর্বশেষ