শিরোনাম
◈ পার‌লো না বাংলা‌দেশ, ভারতের কাছে হেরে সেমির রেস থেকে ছিটকে গেলো ◈ নেপালে ফুটব‌ল নিষিদ্ধ করলো ফিফা! ◈ জিম্বাবুয়ের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের ওয়ানডে দল ঘোষণা ◈ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ শহরে নয়, এবার গ্রামমুখী হতে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, সরগরম এফডিসি ◈ সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে বছরে নতুন ক্যান্সার রোগী প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার, ৪৮৫টি এক্স-রে ও ৩৯৫টি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো ◈ ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত 'জরুরি প্রয়োজনে' কংগ্রেসের কাছে ৮ হাজার ৭০০ কোটি ডলার চাইলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  ◈ রাতের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ◈ ‘না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি’ : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল
আপডেট : ১৪ জুলাই, ২০২০, ০৯:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মির্জাগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎতের অভিযোগ

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ¯িøপের অর্থ আত্মসাৎ ও মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনই অভিযোগ পাওয়া যায় উপজেলার (এস এম সি) ১০ নং বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীনের বিরুদ্ধে।

[৩] এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি হাজী মো. লতিফ মোল্লা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে। অভিযোগে ভিত্তিত্বে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষ অফিস অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদ জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

[৪] অভিযোগে বলা হয়, বাজিতা দর্গাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নেছার উদ্দীন ওই বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীতি করে আসছেন। তিনি ২০১৮/১৯ অর্থ বছরের ¯িøপের ৫০ হাজার, রুটিন মেনটিসের ৪০ হাজার, প্রাক-প্রাথমিকের ১০ হাজার, এবং দূর্যোগ ৫ হাজার টাকা দিয়ে কোন কাজ করেনি। এ বিষয়ে তার কাছে হিসেব চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে এবং মনগড়া হিসেবে দেয়।

[৫] এছাড়াও কারো সাথে কোন আলোচনা করে বিদ্যালের বিভিন্ন পুরাতন আসবাবপত্র বিক্রি করে ১৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. লতিফ মোল্লা বলেন, গত অর্থ বছরে বিদ্যারয়ে সরকারি ভাবে যে পরিমানে টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা ভূয়া ভাউচার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে বিল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।

[৬] উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, অভিযোগের কপি পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়