প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অবশেষে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

সুজিৎ নন্দী : [২] করোনা মোকাবিলায় জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সুপারিশ আমলে না নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর কিংবা নারায়ণগঞ্জে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ধর্মীয় এ উৎসবের ক্ষেত্রে এটি অবাস্তব উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জানিয়েছেন, অনলাইনে পশু বেচাকেনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন স্থানে গরুর হাট বসবে। তবে, এ সিদ্ধান্তে করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা টেকনিক্যাল কমিটির।

[৩] স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, হাট না বসাটা অবাস্তব। তবে মানুষকে উৎসাহিত করছি অনলাইনে গরু-কেনাবেচা করার জন্য। কিন্তু এরপরেও যেসব হাট খুলতেই হবে, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে।

[৪] ইতোমধ্যে পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ১৯ জুলাই তৃতীয় ধাপে টেন্ডার অনুষ্ঠিত হবে। করপোরেশন যে মূল্য নির্ধারণ করেছে তার চেয়ে দরপত্রে বেশি মূল্য দিলে তাদেরকে বরাদ্দ দেয়া হবে।

[৫] করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীসহ চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে গরুর হাট না বসানোর সুপারিশ করে শনিবার এভাবেই সচেতন থাকার পরামর্শ দেয়া হয় করোনা মোকাবিলায় জাতীয় কারগরি পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে। অন্যান্য স্থানে হাট বসানো হলেও শহরের মধ্যে হাট না বসানোর সুপারিশ করা হয়।

[৬] ডিএসসিসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত দেড় মাস যাবত দক্ষিণে অস্থায়ী পশুর হাটের টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এ সময়কালে জাতীয় কারগরি পরামর্শক কমিটি কোন মতামত দেয়নি। এদিকে পরামর্শক কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে স্বল্প পরিসরে গরুর হাট বসানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

[৭] এ ব্যাপারে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. এমদাদুল হক বলেন, আমরা পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৭৫টি ওয়ার্ডের জন্য ৫টি মাত্র হাট। এছাড়াও ডেমরা এলাকায় বসবাস করে প্রায় ৫০ লাখ লোক বসবাস করে। ইতোপূর্বে হাট বসানোর সিদ্ধান্ত ছিলো না। কিন্তু আজ হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

[৮] ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন জানান, আজকের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিএসসিসি এলাকায় এবার পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকিগুলোর দরপত্র অনুযায়ী ১৯ তারিখ শেষ সময়। এরপর বাকি হাটগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাকি হাটগুলো বসার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম, তবে এ বিষয়ে পরে সভা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

[৯] ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএসসিসি এলাকায় ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি হাট ইজারা নিতে কেউ দরপত্র জমা দেয়নি। এছাড়া দুটিতে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে, যে কারণে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত