প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশের দুই-তৃতীয়াংশ বেসরকারি হাসপাতাল লাইসেন্স নবায়ন করে না

মহসীন কবির : [২] বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের তিনভাগের দুইভাগেরই লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। অনেকেই বছরের পর বছর ধরে তা করে না। অথচ ভ্রুক্ষেপ নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। উল্টো লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছিল তারা। এছাড়া, যথাসময়ে ফি জমা দিয়েও লাইসেন্স নবায়ন না পাওয়ার অভিযোগ করেছে অনেক হাসপাতাল। ডিবিসি টিভি

[৩] দেশে ১৭ হাজার ২৪৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থাকলেও এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নবায়ন করেছে মাত্র ৫ হাজার ৫৫টি। মাসের পর মাস, কোন ক্ষেত্রে বছরের পর বছর ধরেই লাইসেন্স নবায়ন করে না বেশিরভাগ হাসপাতাল।

[৪] সম্প্রতি করোনা চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত রিজেন্ট হাসপাতালে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের উঠে আসে, ২০১৪ সালের পর লাইসেন্সই নবায়ন করেনি এ প্রতিষ্ঠানটি। অথচ তাদের সাথেই করোনা চিকিৎসার জন্য চুক্তি করেছে খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অভিযোগের তীর তাই অধিদপ্তরের দিকেও। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন,’এটা কোন ভাবেই আশা করা যায় না যে, যার রেজিস্ট্রেশন নেই তার মান সম্মত সেবা দেবার আগ্রহ আছে।’

[৫] তবে অনেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সময়মতো লাইসেন্স নবায়ন ফি জমা দিলেও এক বছরের বেশি সময় ধরে সার্টিফিকেট দিচ্ছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এ কে এম মুজিবর রহমান জানান, ‘২০১৯-২০২০ এর জন্য আমি চালান আবেদন করেছি তবে সেটা এখনও পাইনি। সরকার কি করবে সেটা তো আমার জানার কথা না। আমি নিয়ম মতো, অনলাইনে আবেদন করেছি।’

[৬] একদিকে লাইসেন্স নবায়ন না করা হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে ব্যর্থতা, অন্যদিকে যারা নবায়নের টাকা জমা দিয়েছে, তাদেরও যথাসময়ে নতুন লাইসেন্স দিতে না পারা-সব মিলে যারা তদারকির দায়িত্বে তাদের কাজ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। কিন্তু এ ব্যাপারে কধা বলতে রাজি নন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেউ। ২০১৮ সালে লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে হাসপাতাল ভেদে ৫০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা করা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত