প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ৯ কার্যদিবসে শেষ হলো বাজেট অধিবেশন

মনিরুল ইসলাম: [২] শেষ হলো বাজেট অধিবেশন। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত বাজেট অধিবেশন বৃহস্পতিবার সমাপ্তি হলো৷ কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে কঠোর সতর্কতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশন মাত্র ৯ কার্যদিবসে সমাপ্ত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ৫টি বিল পাস হয়েছে। পাস হয় ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট।

[৩] মাত্র ৯ দিনের অধিবেশনের দু’টি কার্যদিবস শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়েছে। এরমধ্যে ১০ জুন শুরুর দিনে চলতি সংসদের সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা ও ১৪ জুন সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। ১১ জুন বাজেট উত্থাপিত হয়। প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর মাত্র ২ কার্যদিবস আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সম্পূরক বাজেটের ওপর একদিন।

[৪] এবারে আলোচনা হয়েছে মাত্র ৫ ঘণ্টা ১৮ মিনিট। বাজেটের ওপর আলোচনার দিন ও ঘণ্টার হিসেবে এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে স্বল্প সময়

[৫] বেলা ১ টা ৩৩ মিনিটে অধিবেশন সমাপনী সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আদেশ পড়ে শোনানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি টানেন ড. স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

[৬] সমাপনী বক্তব্যে স্পীকার বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিশেষ পরিস্থিতিতে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং খুবই সতর্কতার সঙ্গে অধিবেশন চালানো হয়েছে। কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করে অধিবেশন পরিচালনা করা হয়েছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ও এই মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।

[৭] মহামারিকালের বাজেট উপস্থাপনেও ছিল ভিন্নধর্মী। ৫৭ মিনিটে বাজেট উপস্থাপন শেষ হয়। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল মাত্র ৬-৭ মিনিট। বাকি পুরো সময়টা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাজেটের বিস্তারিত বিষয় তুলে ধরা হয়।

[৮] প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর ২২জন সংসদ সদস্য অংশ নেন। ২৯ জুন বাজেটের ওপর প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনাসহ চারজন এক ঘণ্টা ৫০ মিনিট আলোচনা করেন। এবার মাত্র দু’টি মন্ত্রণালয়ের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয় দুটি ছিল স্বাস্থ্য ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এবার বাজেটে ৫৯টি দাবির বিপরীতে ৪২১টি ছাঁটাই প্রস্তাব এসেছিল। জাতীয় পার্টি ও বিএনপির ৯ জন সদস্য এই ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো জমা দিয়েছিলেন।

[৯] অধিবেশনে সামাজিক দূরত্ব মেনে সংসদ সদস্যদের বসানো হয়। সেজন্য অধিবেশন কক্ষে উপস্থিতি ৮০-৯০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। অধিবেশন চলাকালে সংসদে গণমাধ্যমকর্মী ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ ছিলো। রোষ্টার অনুযায়ী সদস্যরা অধিবেশনে অংশ নেন।

সর্বাধিক পঠিত