শিরোনাম
◈ ২০২৬ বিশ্বকাপ: বাফুফে পাচ্ছে ৩৩০ টিকিট, আবেদন শুরু ◈ গ্রিনল্যান্ড দখল বিতর্কে নতুন মোড়, ইউরোপীয় পণ্যে ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণা ◈ আজ রোববার শেষ হচ্ছে আপিল শুনানি, আট দিনে প্রার্থীতা ফিরে পেল ৩৯৯ জন ◈ বিল্ডিং কোড উপেক্ষায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ◈ এবার মোদি বাংলাতেই বললেন, ‘এই সরকার পাল্টানো দরকার’ (ভিডিও) ◈ আমি রুমিন না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে রুমিন ফারহানা  (ভিডিও) ◈ রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি আসিফের (ভিডিও) ◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে ভার‌তের বিরু‌দ্ধে জেতা ম‍্যাচ হারলো বাংলাদেশ ◈ আইসিসির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা জানাল বিসিবি ◈ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৩:১৩ রাত
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০৩:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ১৩৪ কোটি টাকার বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : [২] জেলার নাগরপুরে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে শনিবার নাগরপুর উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ঘোনাপাড়া পয়েন্টে ১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

[৩] পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বারপাখিয়া থেকে ঘোনাপাড়া পর্যন্ত ধলেশ্বরী নদীতে ১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন মাস আগে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। বেড়িবাঁধটি মূলত ঘোনাপাড়াসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাকে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করার জন্য নির্মাণ করা হয়। অথচ তিন মাস আগে বাঁধ নির্মিত হলেও তা এলাকাবাসীর কোনো উপকারে এলো না। গত কয়েক দিনে ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার সকালে নির্মিত বেড়িবাঁধ ভেঙে বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

[৪] চরাঞ্চলের তিল, পাটসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে নাগরপুরের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

[৫] পানিবন্দি এসব মানুষ অভিযোগের সূরে বলেন, নদীর ভাঙন ও প্লাবন থেকে বাঁচতে বাধ নির্মাণ করা হলেও তা আমাদের কোনো কাজেই আসলো না। এদিকে হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় গবাদী পশু ও ফসল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি এসব মানুষ।

[৬] টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বেড়িবাঁধের নিচের অংশের ব্লকগুলো সরে গিয়ে এবং নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধের উপর দিয়ে উঠে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে।

[৭] এছাড়া মাটির তৈরি আরো একটি বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আমরা আপদকালীন সময়ে বেড়িবাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশে পাথরের ব্লক ফেলে মেরামত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়