শিরোনাম
◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০২:৩৪ রাত
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০২:৩৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চাঁদা না দেয়ায় খাল খননের কাজ বন্ধ, প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: [২] বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিষখালী-কন্দপুকুর-বহরবৌলা খাল খননের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বহরবৌলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে স্থানীয় শতাধিক কৃষক এই মানববন্ধনে অংশ নেয়।
ঘণ্টাব্যাপি মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বনগ্রাম ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি চিত্ত রঞ্জন ঢালী, শিক্ষক দোলন ঢালী, সুজাত, বাবুল সিংহ, সাব্বির শেখ, শিউলী রানী ঢালী, রঞ্জন মল্লিকসহ আরও অনেকে।

[৩] বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের অর্থায়নে বিষখালী-কন্দপুকুর-বহরবৌলা খালের ২ কিলোমিটার খনন শুরু হয়। ৫-৬‘শ মিটার খুব ভালভাবে খনন করে। পরে সাবেক ইউপি সদস্য অঞ্জলি হালদার, অঞ্জন হালদার, বনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিসসহকারী মনি শঙ্কর ঢালিসহ কিছু অসাধু লোক খাল খননে বাধা প্রদান করে। বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকেরা খাল খনন বন্ধ করে দেয়। খাল খনন না হলে এই এলাকার কৃষকরা মাঠে মারা যাবে। খালটি ভরে যাওয়ায় শুকনো মৌসুমে এলাকার মাঠে পানি উঠতে পারে না, আর বৃষ্টি মৌসুমে পানি নামতে পারে না। খালটি খনন হলে এলাকায় ফসলাদির উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে। যেকোন মূল্যে অতিদ্রুত খাল খননের দাবি জানান কৃষকরা।

[৪] স্থানীয় ঠিকাদারের ম্যানেজার মনি শঙ্কর মল্লিক বলেন, খাল খনন শুরু হওয়ার কিছুদিন পরে কয়েকজন লোক এসে খননে বাঁধা দেয়। বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস আমার ঠিকাদারের কাছে একলক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। আমরা টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

[৫] স্থানীয় ইউপি সদস্য সুনীল কুমার মন্ডল বলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ আমরা অনুরোধ করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের মাধ্যমে এই খালটি খননের ব্যবস্থা করি। এই খালটি খনন হলে এলাকার শতশত কৃষক অনেক উপকৃত হবে। কিন্তু খনন শুরু হওয়ার পরে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি খনন কাজ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে এলাকার জনগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অতিদ্রুত এই খালটি খনন করার দাবি জানান তিনি।

[৬] বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস বলেন এলাকার মানুষের উপকারের জন্যই খাল খনন হচ্ছে। কিন্তু বৃষ্টি মৌসুমে ভেকু (স্কাভেটর) দিয়ে খাল খননের ফলে স্থানীয় অনেক মানুষের ক্ষতি হচ্ছে। গাছপালা ও রাস্তা ধ্বংস করে ভ্যাকু চালাচ্ছে। খাল খননের ফলে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, তারাই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়