শিরোনাম
◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত ◈ গরুর মাংসের কেজি ২৫০ টাকা করতে জীবিত গরু ও হালাল মাংস আমদানির দাবি ◈ সরকারিভাবে এখন থেকে পালিত হবে ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ◈ ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি যৌতুক নয়, হাইকোর্টে খালাস পেলেন দণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ◈ কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেগা প্রকল্প নয়, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হোক পারস্পরিক মর্যাদা ও জনস্বার্থ: রিয়াজ হামিদুল্লাহ ◈ সোবহানার সেঞ্চুরি কা‌জে আস‌লো না, বাংলাদেশ নারী দল‌কে বড় ব‌্যবধা‌নে হা‌রি‌য়ে সি‌রিজ জিত‌লো অ‌স্ট্রেলিয়া ◈ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রেকর্ড ২১৯৩ জন ◈ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাংচুর: ১ কোটি টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২০, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কাজ না থাকায় বেকার ডেকোরেটর কর্মীরা, লোকসানে কমিউনিটি সেন্টার

শরীফ শাওন : [২] পুলিশ কনভেনশন হল, জিনজিয়ান, সেনা মালঞ্চ, সেনা কুঞ্জ, গল্ফ গার্ডেন, পল্লবী, রুপালী, ময়ুরী, আনন্দ কমিউনিটি সেন্টার দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠান ও তাদের কর্মীরা। বিয়ে ও জন্মদিন পালনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে মিরপুর ১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত রয়েছে প্রায় ১৮ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি সেন্টার ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট। এছাড়াও এলাকাটিতে নিউপল্লবী, গাউসিয়া, লিটন ও মুন্না ডেকোরেটরসহ প্রায় অর্ধশত ছোট ডেকোরেটর কোম্পানি রয়েছে। যারা ব্যাক্তিগত অর্ডারে কাজ করে থাকে।

[৩] সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে প্রতিটি ডেকোরেটর কোম্পানিতে গড়ে ১৫ জন কর্মী রয়েছে। অর্থাৎ মিরপুরে কর্মী সংখ্যা প্রায় ৭৫০ জন। কোভিড সংকটে ২০ মার্চ থেকে কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলগুলো বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়ে এসকল কর্মীরা।

[৪] নিউ পল্লবী ডেকোরেটর এর স্বত্তাধীকারী সেলিম সর্দার বলেন, এখানে ১৪ জন কর্মী কাজ করতো। জীবিকার তাগিদে পুরুষরা রিক্সা চালাচ্ছে। তবে মহিলা পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কোন কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। সর্বশেষ কাজের অর্ডার পেয়েছি ১৯ মার্চ। দোকান ও সংসার খরচ নিয়ে অভাবে দিন কাটছে। বর্তমানে সংসার খরচ চালাতে আমি বিভিন্ন ফল বিক্রি করছি।

[৫] পল্লবী কনভেনশন সেন্টারে কাজ করা লিটন ডেকোরেটর এর সদস্য মোহাম্মদ জামাল বলেন, ৩ মাস কাজ নেই, সঞ্চয়ও শেষ। স্ত্রীসহ ৫ সন্তান নিয়ে অনাহারে দিন কাটছে।

[৬] ফেকু মিয়া ক্যাটারিংয়ের স্বত্ত্বাধীকারী ফজলে ইমরান বলেন, প্রতিমাসে আমরা কমবেশি ৩০টি অর্ডার পেয়ে থাকি। বর্তমানে কাজ না থাকলেও বিভিন্ন খাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে মাসপ্রতি ৮৫ হাজার টাকা।

[৭] পুলিশ কনভেনশন হল কর্তৃপক্ষ জানায়, হলটিতে প্রতিমাসে গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তবে ২০ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে কার্যক্রম। সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যক্রম না থাকায় ফাঁকা কনভেনশন হল। নেই কর্মরত ব্যাক্তিরাও।

[৮] রুপালি কমিউনিটি সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী মতিউর রহমান বলেন, প্রতিমাসে ভাড়া এবং স্টাফ কর্মী বাবদ লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। স্থতি স্বাভাবিক হতে হয়তো ১ বছর সময় লাগতে পারে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ