প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কাজ না থাকায় বেকার ডেকোরেটর কর্মীরা, লোকসানে কমিউনিটি সেন্টার

শরীফ শাওন : [২] পুলিশ কনভেনশন হল, জিনজিয়ান, সেনা মালঞ্চ, সেনা কুঞ্জ, গল্ফ গার্ডেন, পল্লবী, রুপালী, ময়ুরী, আনন্দ কমিউনিটি সেন্টার দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠান ও তাদের কর্মীরা। বিয়ে ও জন্মদিন পালনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে মিরপুর ১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত রয়েছে প্রায় ১৮ থেকে ২০টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি সেন্টার ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট। এছাড়াও এলাকাটিতে নিউপল্লবী, গাউসিয়া, লিটন ও মুন্না ডেকোরেটরসহ প্রায় অর্ধশত ছোট ডেকোরেটর কোম্পানি রয়েছে। যারা ব্যাক্তিগত অর্ডারে কাজ করে থাকে।

[৩] সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে প্রতিটি ডেকোরেটর কোম্পানিতে গড়ে ১৫ জন কর্মী রয়েছে। অর্থাৎ মিরপুরে কর্মী সংখ্যা প্রায় ৭৫০ জন। কোভিড সংকটে ২০ মার্চ থেকে কমিউনিটি সেন্টার ও কনভেনশন হলগুলো বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়ে এসকল কর্মীরা।

[৪] নিউ পল্লবী ডেকোরেটর এর স্বত্তাধীকারী সেলিম সর্দার বলেন, এখানে ১৪ জন কর্মী কাজ করতো। জীবিকার তাগিদে পুরুষরা রিক্সা চালাচ্ছে। তবে মহিলা পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কোন কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। সর্বশেষ কাজের অর্ডার পেয়েছি ১৯ মার্চ। দোকান ও সংসার খরচ নিয়ে অভাবে দিন কাটছে। বর্তমানে সংসার খরচ চালাতে আমি বিভিন্ন ফল বিক্রি করছি।

[৫] পল্লবী কনভেনশন সেন্টারে কাজ করা লিটন ডেকোরেটর এর সদস্য মোহাম্মদ জামাল বলেন, ৩ মাস কাজ নেই, সঞ্চয়ও শেষ। স্ত্রীসহ ৫ সন্তান নিয়ে অনাহারে দিন কাটছে।

[৬] ফেকু মিয়া ক্যাটারিংয়ের স্বত্ত্বাধীকারী ফজলে ইমরান বলেন, প্রতিমাসে আমরা কমবেশি ৩০টি অর্ডার পেয়ে থাকি। বর্তমানে কাজ না থাকলেও বিভিন্ন খাতে লোকসান গুনতে হচ্ছে মাসপ্রতি ৮৫ হাজার টাকা।

[৭] পুলিশ কনভেনশন হল কর্তৃপক্ষ জানায়, হলটিতে প্রতিমাসে গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তবে ২০ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে কার্যক্রম। সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যক্রম না থাকায় ফাঁকা কনভেনশন হল। নেই কর্মরত ব্যাক্তিরাও।

[৮] রুপালি কমিউনিটি সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী মতিউর রহমান বলেন, প্রতিমাসে ভাড়া এবং স্টাফ কর্মী বাবদ লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। স্থতি স্বাভাবিক হতে হয়তো ১ বছর সময় লাগতে পারে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত